ময়মনসিংহ প্রতিনিধি : ময়মনসিংহের নান্দাইলে বিরক্ত হয়ে ৯ বছর বয়সী শিশুকে আছাড় দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক তরুণের বিরুদ্ধে। আহত হয়ে ছয়দিন পর শিশুটি মারা যায়।
বৃহস্পতিবার তার মরদেহ মর্গে পাঠায় পুলিশ। এর আগে, বুধবার রাতে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পথে শিশুটির মৃত্যু হয়।
নিহত মো. ইমরান হোসেন নান্দাইল উপজেলার রাজগাতি ইউনিয়নের বিলভাদেরা গ্রামের মো. সবুজ মিয়ার ছেলে ও স্থানীয় দাসপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্র। অভিযুক্তের নাম মো. শাওন মিয়া। তিনি একই গ্রামের শফিকুলের ছেলে।
নিহতের চাচা লিটন মিয়া জানান, ১ সেপ্টেম্বর দুপুরে বৃষ্টির সময় শিশুদের সঙ্গে প্রতিবেশী শফিকুল ইসলামের বাড়ির সামনে খেলছিল ইমরান। এ সময় শিশুরা হই-হুল্লোড় করছিল। এতে বিরক্ত হয়ে শিশুদের ধাওয়া দেন শাওন। একপর্যায়ে অন্য শিশুরা দৌড়ে পালিয়ে গেলেও ইমরানকে ধরে ফেলেন তিনি। পরে তাকে মাথার ওপরে তুলে মাটিতে আছাড় দেন। শিশুটি জ্ঞান হারানোর পর লাঠি দিয়ে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে চলে যান তিনি।
পরে গুরুতর অবস্থায় ইমরানকে বিভিন্ন স্থানে চিকিৎসা করান স্বজনরা। কিন্তু পুরোপুরি সুস্থ না হওয়ায় বুধবার রাতে শারীরিক অবস্থার অবনতি দেখে তাকে নান্দাইল শহরে এক চিকিৎসকের কাছে নেন। কিন্তু ইমরানকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়ার পরামর্শ দেন ওই চিকিৎসক। সেখানে নেয়ার পথে শিশুটি মারা যায়। পরে মরদেহ নিয়ে স্বজনরা থানায় যান।
নান্দাইল মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, বুধবার গভীর রাতে শিশুর মরদেহটি নান্দাইল মডেল থানায় আনেন স্বজনরা। বৃহস্পতিবার সকালে মরদেহটি কিশোরগঞ্জ জেলা সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযোগ পেলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।
আজকালের কন্ঠ /আর