নিজস্ব প্রতিবেদক : জমি সংক্রান্ত বিরোধের জের ধরে গাজীপুরের কালিয়াকৈরের বরাব এলাকায় জেসমিন আক্তার নামে (৪৫) এক নারীর ওপর সশস্ত্র হামলা করে বীরদর্পে ঘুরে বেড়াচ্ছ চাঁন মিয়া নামের এক ব্যক্তি। গত ১০ আগস্ট সকাল সাড়ে ৭টার দিকে মেয়েকে স্কুলে দিয়ে বাসায় ফেরার পথে কালিয়াকৈর থানার হুকুম মাস্টারের বাড়ির সামনে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ৭ জনের নাম উল্লেখ করে কালিয়াকৈর থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন ভুক্তভোগী জেসমিন আক্তার।
অভিযুক্তরা হলেন- চাঁন মিয়া (৫৫), লাল মিয়া (৫০), দেলু মিয়া (৪৫), তুলু মিয়া ( ৪০)। তাদের পিতা মৃত আজগর আলী। এছাড়াও চাঁন মিয়ার ছেলে জামাল (৩৫), জীবন (২৫) এবং ছায়েদ (৫৫)।
কালিয়াকৈর থানার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী জেসমিনের সাথে দীর্ঘদিন ধরে জমি সংক্রান্ত ও বিভিন্ন বিষয় নিয়ে শত্রুতা চলে আসছিল প্রতিপক্ষের। তারা ভুক্তভোগীর কাছে চাঁদা দারি করে মারপিট করে জখম করে গাছপালা কেটে নিয়ে যায়। পরে গাজীপুর আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন তিনি (সিআর মামলা নং ২৭১৩/২২)। মামলা করার পর থেকেই বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি, গুম-খুনের হুমকি দিয়ে আসছিলো চাঁন মিয়া গংরা। জেসমিন মেয়েকে স্কুলে দিয়ে বাসায় ফেরার পথে চাঁন মিয়া ডাক দেয়। তার ডাক শুনে কাছে যাওয়ামাত্রই চাঁন মিয়া, লাল মিয়া গং দেশীয় অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে ও কুপিয়ে শরীরে বিভিন্ন স্থানে জখম করে।
প্রত্যক্ষদর্শী নুরজাহান বেগম জানান, লাল মিয়ার হাতে দা, চাঁন মিয়ার হাতে ছুরি ছিল এবং তার দুই ছেলের হাতে রড ছিল। চাঁন মিয়া এবং লাল মিয়া হাঁটুতে কোপায় এবং তার ছেলে রড দিয়ে মাথায় আঘাত করে। পুরো শরীর রক্তে ভিজে যায়। লাল মিয়াদের ভয়ে কেউ মুখ খুলেনা।
প্রতিবেশী শাকিল আহমেদ বলেন, খবর পেয়ে দৌড়ে এসে দেখি রেললাইনের ওপর রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছে জেসমিন আক্তার। পরে তাকে রক্তাক্ত অবস্থায় উদ্ধার করে গাজীপুর শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। যানাযায় চাঁন মিয়া আন্তঃ জেলা অটোরিকশা চোরের লিডার,চাঁন মিয়া ও লাল মিয়া গংদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসি।
আজকালের কন্ঠ /রাকিব /কবির