দশমিনা (পটু্য়াখালী) প্রতিনিধিঃ পটু্য়াখালীর দশমিনায় পরিবেশবান্ধব মালচিং পদ্ধতি ব্যবহার করে অসময়ে তরমুজ উৎপাদনে অসাধারণ সাফল্য দেখিয়েছেন কৃষকরা। সাধারণ পদ্ধতিতে বছরে একবার ফলন হলেও পরিবেশবান্ধব এ পদ্ধতি বছরজুড়েই চাষ করা যায় রসালো ফলটি।
অসময়ে চাষ হওয়ায় অধিক লাভবান হচ্ছেন কৃষকরা আর বাজারে চাহিদাও বেশি। পদ্মা সেতু চালু হওয়ায় ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে রপ্তানির সুযোগ রয়েছে কৃষকের। ফলে দিন দিন মালচিং পদ্ধতিতে তরমুজ চাষে আগ্রহ বাড়ছে কৃষকদের।
চলতি মৌসুমে উপজেলার ৪ হেক্টর জমিতে হলুদ রঙের বারি-২ আর লাল রঙের গ্রীস্মকালীন তরমুজের চাষাবাদ হয়েছে। প্রতি হেক্টর জমিতে ১৮ থেকে ২০ টন ফলন হয়েছে বলে কৃষি বিভাগ সূত্র জানায়। স্থানীয় কৃষি বিভাগের পরামর্শে মালচিং পদ্ধতিতে অসময়ের চাষে ভালো ফলন পেয়ে খুশি তরমুজচাষিরা।
এই মৌসুমে দশমিনা সদরের কাটাখালী, লক্ষীপুর ও রনগোপালি ইউনিয়নে পরিবেশবান্ধব মালচিং পদ্ধতিতে তরমুজের চাষ হয়েছে।
মো. শাহ আলম নামে এক কৃষক আজকালের কন্ঠের প্রতিনিধি কে বলেন, তিনি ৬০ শতাংশ জমিতে মালচিং পদ্ধতি ব্যবহার করে অসময়ে তরমুজের চাষাবাদ করেছেন। এতে তার ৪০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। তিনি দুই লাখ টাকার তরমুজ বিক্রি করতে পারবেন বলে জানান।
তিনি আরো বলেন, তার দেখাদেখি এলাকার লোকজন এ চাষে আগ্রহ দেখাচ্ছেন। এ পদ্ধতিতে তরমুজ চাষ লাভজনক ও ভালো ফলন পাওয়া যায় বলেও তিনি জানিয়েছেন।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোহাম্মদ জাফর আহমেদ সাংবাদিকদের বলেন, গ্রীষ্মকাল হওয়ায় বাজারে এ সময়ে তরমুজ পাওয়া যায় না। অসময়ে তরমুজ চাষ হওয়ায় কৃষকরা ভালো দাম পাবেন। পতিত জমিতে পরিবেশবান্ধব মালচিং পদ্ধতি ব্যবহার করে অসময়ে তরমুজ উৎপাদনে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করা হচ্ছে। পদ্মা সেতু হওয়ায় কৃষকরা চাইলে ঢাকাতেও তরমুজ পাঠাতে পারবেন। এতে তারা আরও বেশি দাম পাবেন।
আজকালের কন্ঠ /এম