Header
প্রিন্ট তারিখঃ সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬ , ২:৫৫ পূর্বাহ্ণ | প্রকাশের সময়ঃ আগস্ট ২, ২০২২ , ৭:১৬ অপরাহ্ণ

চর চাদপুর গ্রামে আধিপত্য বিস্তার একজনকে কুপিয়ে জখম প্রধান দুই আসামী কারাগারে

লেখকঃ আজকালের কণ্ঠ

করিম ইসহাক, রাজবাড়ী : ফরিদপুর জেলার সদরপুর উপজেলার ভাষানচর ইউনিয়নের চর চাদ পুর গ্রামে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষ্যের মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। এরই মধ্যে চর চাদ পুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে মারামারি ও আরাফাত নামে এক যুবককে কুপিয়ে জখম করার ঘটনা ঘটেছে।

ওই ঘটনায় আরাফাতের চাচাতো ভাই আরজান মুন্সি বাদী হয়ে, রাজু মুন্সি, কামরুল শেখ, সজীব মুন্সি, শেখ আকমল, ইমরান মুন্সি, রবি শেখ, রিপন মুন্সি, লাম মুন্সি, শেখ জহুরুল,সাকিব খান, ফরিদ মুন্সি, সবুজ মুন্সি শেখ ওয়াজেদ, মাসুদ মুন্সি, নিজাম মুন্সি, মজনু মুন্সি, শেখ কামালসহ আরো অজ্ঞাতনামা ১০ থেকে ১২জনকে আসামী করে মামলা দায়ের করেন।

মামলার বাদি আরজান মুন্সি সদরপুর থানার অভিযোগে উল্লেখ করে বলেন, আসামীরা এলাকায় সন্ত্রাশের রাজত্ব কায়েম করেছে। তারা পূর্ব শত্রুতার জের ধরে বিভিন্ন সময়ে হুমকি থামকি দিয়ে আসছিলো। তারই ধারাবাহিকতায় গত মাসের ৭ তারিখে চর চাদ পুর উচ্চ বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির নির্বাচনকে বানচাল করার জন্য ঐক্যবদ্ধ হয়ে দেশীয় অস্ত্র, চাপাতি ও চাইনিজ কুরাল দিয়ে কুপিয়ে আরাফাতকে জখম করে। এ সময় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে তার মাথায় একাধীক শেলাই
প্রয়োজন হয়।

ওই মামলায় মামলার ৩ নম্বর আসামী সজীব মুন্সি গত সোমবার ফরিদপুর কোর্টে জামিন আবেদন করলে আদালত না মঞ্জুর করে করেন। পাশাপাশি মঙ্গলবার মামলার ১ নম্বর আসামী রাজু জামিন আবেদন করলে আদালতের বিচারক শাওন মজুমদার জামিন আবেদন নাকচ করে কারাগারে প্রেরনের নির্দেশ প্রদান করেন।

সরেজমিনে খোজ নিয়ে ও স্থানীয়দের সাথে কথা বলে জানাযায়, মামলার ১ নম্বর আসামী জেলা ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ও ৩ নম্বর আসামী তারেক জিয়া প্রজন্ম দলের যুগ্ন আহব্বায়ক পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন অপকর্ম করে আসছেন। সজীব মুন্সির পিতা মোকলেছুর রহমান মুকু যিনি এরআগে র‌্যাব-৮ এর হাতে অ¯্রসহ ধরা পরে সাজা ভোগ করেছেন। আর মামলার ২ নম্বর আসামী কামরুল শেখ মৃত শেখ কাশেমের
ছেলে। মৃত শেখ কাশেম সরকারী রাস্তার কাজের গম চুরি মামলায় দীর্ঘ্যদিন সাজাভোগ করার পরে মুক্তি পাওয়ার কিছু দিন পরেই মৃত্যবরন করেন।

বর্তমানে রাজু মুন্সি, কামরুল শেখ ও সজীব মুন্সি মিলে এলাকায় একটি কিশোর গ্যাং তৈরি করেছে। যারা এলাকায় আতঙ্ক ছরাচ্ছে।
এছাড়াও ২০১৯ সালের ৫ সেপ্টেম্বর ঢাকার ধানমন্ডি থানা এলাকায় বিএনপি ও জামাত নেতাদের পক্ষ হয়ে মারামারি ও ভাঙ্গচুরের অভিযোগে মজনু মুন্সি ও রাজু মুন্সির বিরুদ্ধে ১৪৩,৪৪৮,৩২৩,৩৮৯,৫০৬ ধারায় একটি মামলা দায়ের হয়। এরপরও আসামী রাজু মুন্সি কিভাবে ছাত্রলীগ নেতা পরিচয় দেয় সেই বিষয়টি নিয়ে জনমনে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

 

প্রিন্ট করুন