Header
প্রিন্ট তারিখঃ সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬ , ৮:১০ অপরাহ্ণ | প্রকাশের সময়ঃ মার্চ ২৬, ২০২০ , ১২:৩৫ অপরাহ্ণ

করোনা সতর্কতায় নিস্তব্ধ ঢাকা

লেখকঃ আজকালের কণ্ঠ

করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে সরকার ছুটি ঘোষণা করেছে। সরকারিভাবে ‘লকডাউন’ ঘোষণা না হলেও মানুষ এখন মূলত ঘরবন্দী। ঢাকায় থাকা মানুষ প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে খুব একটা বাইরে যাচ্ছেন না। ফলে ঢাকা এখন ফাঁকা।

আজ বৃহস্পতিবার (২৬ মার্চ) থেকে ছুটি ভোগ করছে সরকারি-বেসরকারি অফিসে কর্মরতরা। চলবে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত। ২৯ মার্চ থেকে ২ এপ্রিল পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্টসহ দেশের সব আদালতে সাধারণ ছুটি।

আজ সকালে ঢাকার সড়কে দু-চারটি প্রাইভেটকার ও মোটরসাইকেল ছাড়া গণপরিবহন দেখা যায়নি। জরুরি সেবার যান ও মালবাহী ট্রাকও খুব একটা দেখা যায়নি। বিভিন্ন স্পটে আইনশৃংখলাবাহিনী সড়কে অবস্থান নিয়ে আছেন। মোটরসাইকেল ও প্রাইভেটকার দেখলেই থামাচ্ছেন ‍পুলিশ সদস্যরা। জানতে চাচ্ছেন কেন বের হয়েছেন, কোথায় যাচ্ছেন?

মানুষের স্থানান্তর বন্ধ রাখতে বাস, ট্রেন, নৌযান, অভ্যন্তরীণ ফ্লাইট, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, বিপণিবিতান বন্ধ রাখা হয়েছে। তবে প্রয়োজন অনুসারে সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তর, কাঁচাবাজার, ওষুধের দোকান, হাসপাতাল, ফায়ার সার্ভিসসহ অন্যান্য জরুরি সেবাপ্রতিষ্ঠান খোলা থাকবে। সীমিত পরিসরে প্রতিদিন দুই ঘণ্টা ব্যাংকও খোলা।

যদিও ট্রাক, কাভার্ডভ্যান, ওষুধ, জরুরি সেবা, জ্বালানি, পচনশীল পণ্য পরিবহন নিষেধাজ্ঞার বাইরে রয়েছে।

এমনিতেই কয়েক দিন ধরে রাজধানী অনেকটা ফাঁকা। বন্ধ রয়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। গণপরিবহনও অনেকটাই কম। এই অবস্থা আজ আরো প্রকটভাবে দৃশ্যমান। প্রয়োজনীয় কাজ ছাড়া ব্যক্তিগত যানবাহন নিয়েও কেউ বের হচ্ছেন না। এরপর সেনাবাহিনী মাঠে নামায় মানুষের স্থানান্তর আরো অনেকটা কমে এসেছে। ঢাকার বাইরেও সেনাবাহিনীর টহলে মানুষ অনেকটাই ঘরমুখী।

তবে গতকালও ঢাকা ছেড়ে গ্রামের বাড়িতে যাওয়ার ভিড় ছিল। সরাসরি বাস চলাচল অনেকটাই বন্ধ থাকায় অনেককেই লোকাল গাড়িতে ঢাকা ছাড়তে দেখা যায়। দূরপাল্লার যানবাহন না পেয়ে রিকশা-ভ্যান, পিকআপ অথবা পায়ে হেঁটেও অনেকে রওনা দেন। গতকাল ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কে ৪০ কিলোমিটার যানজট সৃষ্টি হয়।

প্রিন্ট করুন