চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ‘সাধারণ সম্পাদক’ পদের চেয়ার নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা যেন শেষই হচ্ছে না। প্রতিদিনই নতুন নতুন আলোচনার জন্ম হচ্ছে দুই পক্ষের মন্তব্যকে ঘিরে। আজকে জায়েদ খান সংবাদ সম্মেলনে একটা মন্তব্য করে তো ওদিকে নিপুন সংবাদ সম্মেলন ডেকে তার প্রতিবাদ করছেন। এমনটাই ঘটছে প্রতিদিন। যদিও ‘সাধারণ সম্পাদক’ পদের বিষয়টি বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন।
আদালতের রায় যার পক্ষেই যাক না কেন, সমিতির সাধারণ সম্পাদক হিসেবে নিপুণের পক্ষেই যেন সাধারণ মানুষের রায়। অন্তত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিপুণের পক্ষেই সাফাই গাইছেন সাধারণ মানুষ। অন্যদিকে জায়েদ খানকে করা হচ্ছে তুলোধুনো। এ বিষয়গুলো নজরে এসেছে জায়েদ খানেরও। তবে তিনি বলছেন, ‘জনগণ না চাইলেও শিল্পীরা আমাকেই চায়।’
জায়েদ বলেন, ‘শিল্পীরা চায় বলে তারা আমাকে পর পর তিনবার নির্বাচিত করেছেন। শিল্পী সমিতির জন্য এখানকার ভোটাররা যাকে চাইবে তাকে প্রাধান্য দিতে হবে। এখানে দেশের মানুষ কী চায় বা না চায় তাতে কিছু আসে যায় না। কারণ আমিতো আসলে প্রতিনিধিত্ব করছি শিল্পীদের।’
তিনি বলেন, ‘নির্বাচন শুরু হওয়ার আগে থেকেই আমার নামে নানা ষড়যন্ত্র করা হচ্ছে। আসলে আমার জনপ্রিয়তা তারা নিতে পারছে না। জনপ্রিয় না হলে তো আমি পরপর তিনবার শিল্পীদের ভোটে নির্বাচিত হতাম না। এখন এফডিসিতে যা হচ্ছে এতে করে মানুষ হাসছে। আমাদেরকে হেয় করা হচ্ছে। এটা কোনোভাবে কাম্য নয়। ’
মঙ্গলবার বিকেলে এফডিসিতে সংবাদ সম্মেলন করে নিপুণ দাবি করেন, ‘আদালতের চূড়ান্ত রায় না আসা পর্যন্ত তিনি শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করতে পারবেন বলে আদালত থেকে গ্রিনসিগন্যাল পেয়েছেন।’
তবে জায়েদ খান বিষয়টিকে ভিত্তিহীন দাবি করে বলেন, নিপুণ আদালত অবমাননা করছেন। চূড়ান্ত রায় না আসা পর্যন্ত কেউ সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে পারবেন না।