আজকালের কন্ঠ ডেস্ক : আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে সারা বিশ্বে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। দেশের উন্নয়নের পাশাপাশি পরপর তিন-তিনবার ক্ষমতায় থাকার কারণে দলে কিছু বিষধর সাপ ঢুকে পড়েছে। যারা বিষধর সাপকে দলে ঢুকিয়েছেন তাদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আ. লীগে অনুপ্রবেশকারী ফ্রিডম পাটি, বিএনপি-জামায়াতকে খুঁজে বের করতে হবে উল্লেখ করে নানক বলেন, দলের ভেতরে গ্রুপ করার জন্য, দল ভারী করার জন্য ফ্রিডম পাটি, বিএনপি-জামায়াতকে যারা দলে ঢুকিয়েছেন, তাদের তৃণমূল পর্যায় থেকে শুরু করে সব স্থান থেকে খুঁজে বের করতে হবে। তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার হুশিয়ারিও দেন।
দলের নেতাকর্মীদের আহ্বান জানিয়ে নানক, যারা দলের বহিরাগত, কোনোদিন দল করেনি, অথচ দলের মধ্যে ঘাপটি মেরে বসে আছেন, তারা আ. লীগের দুঃসময়ে নিজেরাই কেটে পড়েন।আমাদের নেত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘দলের যত বড় রথি-মহারথী হোক না কেন, অভিযোগ পেলেই তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এই নেতা আরও বলেন, নেত্রীর (শেখ হাসিনা) নির্দেশে আমরা আগামী ডিসেম্বর দলের জাতীয় সম্মেলন করবো। তার আগে জেলা-উপজেলা সম্মেলন শেষ করতে চাই। আ. লীগের জেলা-উপজেলা সম্মেলন করবেন ভালো কথা। তবে সেখানে আমরা নিজের লোক খুঁজি, পারলে বাড়ির কাজের লোককেও কমিটিতে রাখতে চাই, তাদের নাম দিতে চাই, এই অভ্যাস পরিত্যাগ করতে হবে।
জেলা-উপজেলার নেতাদের উদ্দেশে নানক বলেন, এত গ্রুপিং করেন কেন ? দলের মধ্যে বিভাজন-বিভেদ কেন? মনে রাখতে হবে এদিন দিন নয়, আরও দিন আছে। দল করবেন, গ্রুপিং করবেন, সেটা আর বরদাশত করা হবে না।
আজকালের কন্ঠ /এমএম