বাউফল প্রতিনিধি : ঘটনার বিবরনে জানা যায় ঘটনার অর্থাৎ ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯ রোজ শুক্র বার নুরাইন পুর থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হোন সুর্য্যমনি গ্রামের, বাউফল উপজেলাধীন, পটুয়াখালী জেলার মৃত মোঃ সোনা আলী খানের একমাত্র ছেলে মোঃ আইয়ুব আলী খান,সে এম.ভি বন্ধন লঞ্চের তৃতীয় তলায় কেবিনের পাশে ডেকে বিছানা পেতে শুইয়া থাকে,সেখানে ১০/১২ জন দুর্বৃত্তকারী ঘুমান্ত অবস্থায় হত্যার উদেশ্যে হামলা চালায়। তারা প্রথমে আইয়ুবকে কিল,গুসি,লাথি মারে, মারাত্মক আহত করে পরে হাত পা ধরে নদীতে ফালানোর চেষ্টা করে,এই মুহূর্তে লঞ্চের একজন ষ্টাফ দেখে ফেলে এবং ডাকাত ডাকাত করে ডাক দেয় এতে আশেপাশে থেকে লোক এসে ভিক্টিমকে উদ্ধার করে। এতে অংশ নেয় মোঃআলতাফ হোসেন নয়ন, পিতা : লাল মোহাম্মদ সরদার, নয়নের ছেলে মোঃ রাকিব হোসেন, নয়নের ভাইয়ের ছেলে মোঃআরিফ হোসেন,পিতাঃ মোঃ জাফর সরদার,সকলের গ্রাম সূর্য্যমনি,নয়নের ভাগিনা মোঃ হাবিব গাজী, পিতাঃমোঃ হানিফ গাজী, গ্রাম -মদনপুরা,নয়নের ভায়েরার ছেলে মোঃরিয়াজ,পিতা : মোঃসেকান্দার,গ্রাম-ভরিপাশা, সকলের বাড়ী পটুয়াখালী জেলার বাউফল উপজেলাধীন।এছাড়া অপরিচিত আরো ৬/৭ জন ছিল।ঘটনার বিবরনে আরো জানা যায় হামলাকারীরা পূর্ব পরিকল্পনা করেই হামলা করেছে।কারন ভিক্টিমের সাথে হামলারকারীদের জমিজমা নিয়ে পূর্বের থেকেই পারিবারিক দ্বন্দ্ব ছিল ।
এ ব্যাপরে বাউফল থানায় একটি সাধারন ডায়েরি করা হয় যাহার নং-
আজকালের কন্ঠ/এমএম