Header
প্রিন্ট তারিখঃ নভেম্বর ১, ২০২৬ , ৯:০৬ অপরাহ্ণ | প্রকাশের সময়ঃ নভেম্বর ১, ২০২৬ , ৬:৪১ অপরাহ্ণ

নির্মল বায়ু ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় বিজ্ঞানভিত্তিক নীতি ও সমন্বিত উদ্যোগ জরুরি: পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী

লেখকঃ নিজস্ব প্রতিবেদক

নির্মল বায়ু ও জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় বিজ্ঞানভিত্তিক নীতি ও সমন্বিত উদ্যোগ জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম।

তিনি বলেন, ব্ল্যাক কার্বন ও অন্যান্য দূষণ কমাতে গবেষণালব্ধ তথ্যকে নীতিনির্ধারণ ও বাস্তবায়নের সঙ্গে যুক্ত করতে হবে। এ লক্ষ্যে সরকারি প্রতিষ্ঠান, বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা সংস্থা ও আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগীদের মধ্যে কার্যকর সহযোগিতা জোরদার করা প্রয়োজন।

আজ (রবিবার) রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে ‘ব্ল্যাক কার্বন ও অন্যান্য স্বল্পস্থায়ী জলবায়ু দূষক’ শীর্ষক সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও স্টকহোম বিশ্ববিদ্যালয় যৌথভাবে এ সংলাপের আয়োজন করে। আয়োজনে সহায়তা দেয় ক্লিন এয়ার ফান্ড।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, বায়ুদূষণ ও জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় গবেষণা, নীতি ও বাস্তব প্রয়োগের মধ্যে সংযোগ সুদৃঢ় করতে হবে। নির্মল বায়ু এবং জলবায়ু সহনশীল বাংলাদেশ গড়তে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোর সমন্বিত অংশগ্রহণের মাধ্যমে বাস্তবসম্মত ও টেকসই সমাধান এগিয়ে নেওয়া প্রয়োজন।

পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী সরকারি প্রতিষ্ঠান, বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা সংস্থা এবং আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগীদের মধ্যে সহযোগিতা জোরদারের গুরুত্ব পুনর্ব্যক্ত করেন। গবেষণালব্ধ প্রমাণের ভিত্তিতে কার্যক্রম গ্রহণ এবং টেকসই সমাধান বাস্তবায়নের মাধ্যমে নির্মল, স্বাস্থ্যকর ও জলবায়ু সহনশীল বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন তিনি।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. মাহদী আমিন, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের এসডিজিবিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক অধ্যাপক ড. এস. এম. আবদুল আউয়াল এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত সুইডেনের রাষ্ট্রদূত নিকোলাস উইকস।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. আবদুস সালাম সংলাপে সভাপতিত্ব করেন। এতে স্টকহোম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ওরিয়ান গুস্তাফসনও অংশ নেন।

বায়ুদূষণ, জনস্বাস্থ্য ও জলবায়ু পরিবর্তনের পারস্পরিক সম্পর্ক এবং এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বিজ্ঞানভিত্তিক পদক্ষেপের গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা হয়। বিশেষভাবে ব্ল্যাক কার্বন ও অন্যান্য স্বল্পস্থায়ী জলবায়ু দূষকের নিঃসরণ হ্রাসের মাধ্যমে বায়ুর মান উন্নয়ন, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষা এবং জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব প্রশমনের বিষয়টি উঠে আসে।

আলোচনায় গবেষণালব্ধ প্রমাণের ভিত্তিতে নীতি প্রণয়ন ও কার্যক্রম গ্রহণের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। একই সঙ্গে জাতীয় পর্যায়ের উদ্যোগের পাশাপাশি আঞ্চলিক সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং বিজ্ঞানী, নীতিনির্ধারক ও আন্তর্জাতিক অংশীদারদের মধ্যে জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা বিনিময়ের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়।

সংলাপে নির্মল বায়ু নিশ্চিত করার উদ্যোগকে জনস্বাস্থ্য ও জলবায়ু সুরক্ষার বৃহত্তর লক্ষ্যের সঙ্গে সমন্বিতভাবে এগিয়ে নেওয়ার ওপর জোর দেওয়া হয়। এ ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের জ্ঞান, সরকারি প্রতিষ্ঠানের নীতিগত ভূমিকা এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারদের সহযোগিতাকে কার্যকরভাবে যুক্ত করার গুরুত্ব তলে ধরা হয়।

সংলাপে নীতিনির্ধারক, বিজ্ঞানী, শিক্ষক, গবেষক ও আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞরা অংশ নেন।

আজকালের কন্ঠ/আর বি

প্রিন্ট করুন