Header
প্রিন্ট তারিখঃ নভেম্বর ১, ২০২৬ , ১:১৫ অপরাহ্ণ | প্রকাশের সময়ঃ নভেম্বর ১, ২০২৬ , ১১:০৫ পূর্বাহ্ণ

বাক্কো’র সভাপতি ফয়সল ও সাধারণ সম্পাদক নাহিদ নির্বাচিত

লেখকঃ শাহজালাল (রাসেল)

বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অফ কন্ট্যাক্ট সেন্টার অ্যান্ড আউটসোর্সিং (বাক্কো) এর ২০২৬-২০২৮ মেয়াদের কার্যনির্বাহী কমিটির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। নির্বাচনে সভাপতি পদে উইন টেল লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফয়সল আলিম ও সাধারণ সম্পাদক পদে ব্রোটেকস টেকনোলজীস লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিটিও নাহিদ হোসেন নির্বাচিত হন।

শনিবার (৩১শে অক্টোবর) রাজধানীর শাহীনবাগ এম্পিরিয়ান হোটেলে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত চলে ভোটগ্রহণ। মোট ভোটার সংখ্যা ১৯২ জন।

নির্বাচিত অন্যান্য সদস্যরা হলেন সিনিয়র সহ-সভাপতি পদে এডিএন ডিজিনেট লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ সোহায়েল রেজা, উইজডম ভ্যালি লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুল কাদের, অর্থ সম্পাদক পদে রিকম কনসালটিং লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক খন্দকার আতিকুর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে এএসকে টেলিকম লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মিস সায়মা শওকত নির্বাচিত হন।

এছাড়াও সংরক্ষিত পরিচালক পদে (অ্যাসোসিয়েট মেম্বার ক্যাটাগরিতে) নির্বাচিত হন আলফা নেট এর প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. একরামুল হায়দার এবং পরিচালক পদে (জেনারেল মেম্বার ক্যাটাগরিতে) নির্বাচিত হন আরও চার জন প্রার্থী।

এ সময় একাধিক প্রার্থী বলেন, আজকে আমাদের মিলন মেলা। সকল সদস্য ভাইদের সাথে দেখা হচ্ছে খুবই ভালো লাগছে। খুবই সুন্দর একটি নির্বাচন পরিচালনা করছেন আমাদের নির্বাচন কমিশনার। নির্বাচনকে সুষ্ঠ করতে সকল ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছেন তিনি। আমরা প্রার্থীরা একে অপরের সুপরিচিত। যেই জয়ী হবে তার সাথে এক হয়ে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অফ কন্ট্যাক্ট সেন্টার অ্যান্ড আউটসোর্সিং (বাক্কো)’র উন্নয়নে কাজ করব। জয়ী হলে ইশতেহার বাস্তবায়নে অগ্রগামী ভূমিকা রাখব।

একাধিক ভোটার বলেন, নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করা সকল প্রার্থী আমাদের আপনজন। সবাইকে তো জয়ী করতে পারবোনা তবে যেই জয়ী হবে সে সকলকে নিয়ে বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অফ কন্ট্যাক্ট সেন্টার অ্যান্ড আউটসোর্সিং (বাক্কো)’র উন্নয়নে কাজ করবে এটাই আমাদের প্রত্যশা। ‘বাক্কো’র সকল সদস্যদের সুখে-দুঃখে পাশে থাকবে এটাই আমাদের কাম্য।

ভোটাররা বলেন, বাক্কোর কার্যনির্বাহী কমিটি নির্বাচন সংগঠনটির গণতান্ত্রিক চর্চা ও সদস্যদের অংশগ্রহণমূলক নেতৃত্ব নির্বাচনের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া। নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি দেশের বিপিও, আইটি ও আইটিইএস শিল্পের বিকাশ, সদস্য প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বার্থ সংরক্ষণ এবং আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের অবস্থান সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে কাজ করবে বলে প্রত্যাশা তাদের।

নির্বাচন বোর্ডের চেয়ারম্যান জনাব সাইফুল ইসলাম সিদ্দিক বলেন, “নির্বাচন সুষ্ঠু, স্বচ্ছ ও গ্রহণযোগ্যভাবে সম্পন্ন হয়েছে। যারা নির্বাচিত হয়েছেন, তাঁদের সবাইকে জানাই আন্তরিক অভিনন্দন ও উষ্ণ শুভেচ্ছা। একই সঙ্গে বাক্কো’র সম্মানিত সদস্য ও ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই, যাঁরা তাঁদের মূল্যবান ভোটের মাধ্যমে নির্বাচনকে সফলভাবে সম্পন্ন করতে সহযোগিতা করেছেন। নির্বাচন পর্যবেক্ষণে দায়িত্ব পালনকারী বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিনিধিবৃন্দসহ সংশ্লিষ্ট সকলকে জানাই আন্তরিক ধন্যবাদ।”

এছাড়াও তিনি বলেন, সকল পদেই বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন প্রার্থীরা। পরিচালক পদে (জেনারেল মেম্বার ক্যাটাগরিতে) নির্বাচন হচ্ছে। পাঁচ জন প্রার্থী নির্বাচিত হবে। নির্বাচনে অংশ গ্রহণ করা সকল প্রার্থী একে অপরের প্রতি আন্তরিক থাকায় কোন ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটে নি। নির্বাচনের সকল নিয়ম-কানুন মেনে ভোটারদের কাছে ভোট চাইছে প্রার্থীরা। কোন ধরনের অভিযোগ ভোটার বা প্রার্থীদের পক্ষ থেকে পাওয়া যায় নি। কোন বিশৃঙ্খলা হওয়ার সুযোগ নেই।

এ সময় নির্বাচন পর্যবেক্ষণে মূখ্য পর্যবেক্ষক হিসেবে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বাণিজ্য সংগঠন অনুবিভাগের মহাপরিচালক (যুগ্মসচিব) মোহাম্মদ মোস্তফা জামাল হায়দার, পর্যবেক্ষক হিসেবে বাণিজ্য সংগঠন-২ শাখার উপসচিব চৌধুরী সামিয়া ইয়াসমীন এবং সহযোগী পর্যবেক্ষক হিসেবে বাণিজ্য সংগঠন-২ শাখার কর্মকর্তা শফিকুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়াও ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি এর প্রতিনিধি মোঃ ওয়ালিয়ার রহমান মামুন, মোঃ ওয়াসীম; বাংলাদেশ আইসিটি জার্নালিস্ট ফোরামের সভাপতি মো. এ হালিম, ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (আইএসপিএবি) এর প্রতিনিধি জাকারিয়া আহমেদ চৌধুরী, বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি (বিসিএস) এর সভাপতি মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম এবং টেকনোলজি মিডিয়া গিল্ড বাংলাদেশে এর সভাপতি মোহাম্মদ কাওসার উদ্দিন সহ গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, নির্বাচন-পরবর্তী প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে ঘোষিত প্রাথমিক ফলাফলের বিষয়ে কোনো আপত্তি বা অভিযোগ থাকলে নির্ধারিত বিধি অনুযায়ী আপিল দাখিলের সুযোগ রয়েছে। এ উদ্দেশ্যে গঠিত নির্বাচন আপিল বোর্ড প্রাপ্ত আপিল ও সংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো পর্যালোচনা ও যাচাই-বাছাই করে প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে। আপিলসংক্রান্ত কার্যক্রম সম্পন্ন হওয়ার পর নির্বাচন প্রক্রিয়ার পরবর্তী আনুষ্ঠানিকতা অনুসরণ করা হয়।

আজকালের কন্ঠ/আর বি

প্রিন্ট করুন