লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার ২ নম্বর দক্ষিণ হামছাদী ইউনিয়নের নন্দনপুর এলাকায় মাদক ব্যবসাকে কেন্দ্র করে বিরোধের জেরে গোলাগুলির ঘটনায় জুয়েল (৪০) নামে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। গত রাতে এ ঘটনা ঘটে। তবে গোলাগুলির প্রকৃত কারণ এবং কারা এতে জড়িত ছিলেন, তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, নন্দনপুর এলাকায় মাদক ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ ও অভ্যন্তরীণ বিরোধকে কেন্দ্র করে কয়েকজনের মধ্যে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে গোলাগুলির ঘটনা ঘটে বলে স্থানীয়দের দাবি। পরে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ সময় গুলিবিদ্ধ অবস্থায় জুয়েলের মরদেহ উদ্ধার করে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।
মাদক ব্যবসায় জড়িত থাকার অভিযোগ
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিহত জুয়েলের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনসহ একাধিক মামলা রয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন বলেও স্থানীয়ভাবে দাবি করা হয়েছে। তবে তাঁর বিরুদ্ধে থাকা মামলাগুলোর সংখ্যা, ধরন ও বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
স্থানীয় সূত্রের দাবি, মাদক ব্যবসার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে বিরোধ থেকেই এ ঘটনার সূত্রপাত হতে পারে। তবে সংঘর্ষের সুনির্দিষ্ট কারণ, গোলাগুলিতে কারা অংশ নিয়েছিলেন এবং কী পরিস্থিতিতে জুয়েল গুলিবিদ্ধ হন, তা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।
ঘটনাটি প্রতিপক্ষের সঙ্গে গোলাগুলি, নাকি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সঙ্গে কথিত বন্দুকযুদ্ধ—এ বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি। ফলে ঘটনার প্রকৃত পরিস্থিতি জানতে পুলিশের আনুষ্ঠানিক তদন্ত ও ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
লক্ষ্মীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, ঘটনাস্থল থেকে আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ সদর হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।
এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত গোলাগুলির ঘটনায় অন্য কেউ হতাহত হয়েছেন কি না, কিংবা এ ঘটনায় কাউকে আটক করা হয়েছে কি না, সে বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য পাওয়া যায়নি। তদন্ত শেষে জুয়েলের মৃত্যুর প্রকৃত কারণ ও ঘটনার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিষয়ে বিস্তারিত জানা যেতে পারে।