Header
প্রিন্ট তারিখঃ অক্টোবর ১২, ২০২৬ , ২:৩৮ অপরাহ্ণ | প্রকাশের সময়ঃ অক্টোবর ১২, ২০২৬ , ১:৫২ অপরাহ্ণ

আজ বিশ্ব আর্থ্রাইটিস দিবস

লেখকঃ লাইফস্টাইল ডেস্ক:

আর্থ্রাইটিস বা বাতজনিত রোগ সম্পর্কে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, দ্রুত রোগ শনাক্তকরণ এবং যথাযথ চিকিৎসার গুরুত্ব তুলে ধরতে আজ ১২ অক্টোবর পালিত হচ্ছে বিশ্ব আর্থ্রাইটিস দিবস। বিশ্বজুড়ে দিবসটি উপলক্ষে বাতজনিত ও পেশি-হাড়ের রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের সমস্যা, চিকিৎসা এবং জীবনমান উন্নয়নের বিষয়গুলো গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরা হচ্ছে।

ইউরোপিয়ান অ্যালায়েন্স অব অ্যাসোসিয়েশনস ফর রিউমাটোলজি (ইউলার) এর তথ্য অনুযায়ী, ১৯৯৬ সালে বিশ্ব আর্থ্রাইটিস দিবস চালু হয়। বাতজনিত ও পেশি-হাড়ের রোগ মানুষের দৈনন্দিন জীবন, কর্মক্ষমতা এবং সামাজিক অংশগ্রহণে কী ধরনের প্রভাব ফেলে, সে বিষয়ে সচেতনতা তৈরি করা দিবসটির অন্যতম লক্ষ্য।

আর্থ্রাইটিস বলতে মূলত অস্থিসন্ধির প্রদাহ এবং এ-সম্পর্কিত বিভিন্ন রোগকে বোঝায়। এসব রোগে জয়েন্টে ব্যথা, ফোলা, শক্তভাব এবং স্বাভাবিক নড়াচড়ায় অসুবিধা দেখা দিতে পারে। বিশেষ করে সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর অনেকের জয়েন্টে শক্তভাব বেশি অনুভূত হয়।

রোগের ধরন অনুযায়ী আর্থ্রাইটিসের লক্ষণ ও জটিলতা ভিন্ন হতে পারে। এ রোগ শুধু বয়স্কদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; শিশু-কিশোর ও তরুণদেরও নির্দিষ্ট কিছু ধরনের আর্থ্রাইটিস হতে পারে। সময়মতো চিকিৎসা না নিলে কিছু ক্ষেত্রে জয়েন্টের স্থায়ী ক্ষতি ও দৈনন্দিন কাজকর্মে সীমাবদ্ধতা তৈরি হতে পারে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, জয়েন্টে দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা, ফোলা কিংবা শক্তভাব দেখা দিলে অবহেলা না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। প্রাথমিক পর্যায়ে রোগ শনাক্ত করা গেলে উপযুক্ত চিকিৎসা ও নিয়মিত পরিচর্যার মাধ্যমে অনেক ক্ষেত্রে উপসর্গ নিয়ন্ত্রণ, জয়েন্টের ক্ষতি কমানো এবং স্বাভাবিক জীবনযাপন বজায় রাখা সম্ভব।

রোগের ধরন ও রোগীর শারীরিক অবস্থা বিবেচনায় ওষুধ, নিয়মিত শরীরচর্চা, ফিজিওথেরাপি এবং জীবনযাত্রায় পরিবর্তন চিকিৎসার অংশ হতে পারে। পাশাপাশি স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখা ও চিকিৎসকের নির্দেশনা মেনে চলাও গুরুত্বপূর্ণ। তবে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ব্যথানাশক ওষুধ সেবন কিংবা নির্ধারিত চিকিৎসা বন্ধ করা উচিত নয়।

আজকালের কন্ঠ/আর এস

প্রিন্ট করুন