Header
প্রিন্ট তারিখঃ অক্টোবর ১১, ২০২৬ , ৬:২০ অপরাহ্ণ | প্রকাশের সময়ঃ অক্টোবর ১১, ২০২৬ , ৬:০২ অপরাহ্ণ

গোবিপ্রবিতে আল-কুরআন ক্লাবের উদ্যোগে সিরাত প্রতিযোগিতা ও আলোচনা সভা

লেখকঃ মোঃ ইসতিয়াক আহম্মদ আসিফ, গোবিপ্রবি প্রতিনিধি

গোপালগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (গোবিপ্রবি) আল-কুরআন অ্যান্ড কালচারাল স্টাডি ক্লাবের উদ্যোগে সিরাত প্রতিযোগিতা-২০২৬-এর পুরস্কার বিতরণী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। প্রতিযোগিতায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৩০ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করেন। তাঁদের মধ্যে বিজয়ী ১৮ জনকে পুরস্কার দেওয়া হয়।

শনিবার (১০ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে ৪টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক ভবনের ৫০১ নম্বর কক্ষে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

মো. আরাফাত আলমের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফার্মেসি বিভাগের চেয়ারম্যান ও সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. তরিকুল ইসলাম, ইতিহাস বিভাগের চেয়ারম্যান ও সহকারী অধ্যাপক মুজাহিদুল ইসলাম এবং ক্লাবের সাবেক সভাপতি শাকির মাহমুদ। অনুষ্ঠানে প্রধান আলোচক ছিলেন খুলনা সিদ্দিকিয়া কামিল মাদ্রাসার সহকারী অধ্যাপক মাওলানা মনিরুজ্জামান। এতে সভাপতিত্ব করেন ক্লাবের সভাপতি মো. শরিফুল ইসলাম।

অনুষ্ঠানে আলোচনা সভা ও অতিথিদের বক্তব্যের পাশাপাশি বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়। এ ছাড়া অংশগ্রহণকারীদের নিয়ে কেস স্টাডি, প্যানেল আলোচনা ও উপস্থাপনাসহ বিভিন্ন অংশগ্রহণমূলক পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে সাংস্কৃতিক সহযোগী হিসেবে ছিল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘রূপান্তর সাংস্কৃতিক সংসদ (রুসাস)’।

আয়োজক সূত্রে জানা যায়, গত ২৫ সেপ্টেম্বর সিরাত প্রতিযোগিতা-২০২৬-এর মূল পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের ৪৩০ জন শিক্ষার্থী অংশ নেন। প্রতিযোগিতায় বিজয়ী ১৮ জনের মধ্যে মোট ১৭ হাজার টাকা সমমূল্যের পুরস্কার বিতরণ করা হয়। এর মধ্যে ১২ হাজার টাকা নগদ অর্থসহ বই, ক্রেস্ট ও অন্যান্য পুরস্কার ছিল।

প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অর্জন করেন ফিশারিজ অ্যান্ড মেরিন বায়োসায়েন্স বিভাগের শিক্ষার্থী আব্দুল্লাহ আবিদ। দ্বিতীয় স্থান অর্জন করেন মাজহারুল হান্নান মারজান এবং তৃতীয় স্থান অর্জন করেন তৌহিদুল ইসলাম।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য দিতে গিয়ে ক্লাবের উপদেষ্টা ও ফার্মেসি বিভাগের চেয়ারম্যান সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. তরিকুল ইসলাম বলেন, “আমাকে যখন আল-কুরআন অ্যান্ড কালচারাল স্টাডি ক্লাবের উপদেষ্টা হওয়ার কথা বলা হয়েছে, তখন আমি সঙ্গে সঙ্গেই রাজি হয়ে গিয়েছি। কেননা, আমি এই সুযোগ হাতছাড়া করতে চাইনি।” তিনি আরও বলেন, “আমাদের চূড়ান্ত লক্ষ্য হওয়া উচিত জান্নাত। আমরা সবাই একসঙ্গে জান্নাতে যেতে চাই।”

ইতিহাস বিভাগের চেয়ারম্যান ও সহকারী অধ্যাপক মুজাহিদুল ইসলাম বলেন, “আল্লাহর রাসুলের জীবন থেকে আমাদের শিক্ষাগ্রহণ করতে হবে এবং সেই অনুযায়ী জীবন পরিচালনা করতে হবে।”

প্রিন্ট করুন