শরীয়তপুরের সখিপুর আরশি নগর ইউনিয়নে জাল জালিয়াতির মাধ্যমে কোটি টাকার সম্পত্তি আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে সহোদর ভাইদের বিরুদ্ধে।
ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, ১৯৭৯ সালে শরীযতপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলার চরমহিষখালী গ্রামের আবুল কাশেম সরকার এর পুত্র সেলিম সরকার ও বুলবুল সরকার নিলাম খরিদের মাধ্যমে চর মহিষখালী মৌজার ১২৭৭নং খতিয়ানের এসএ ৪৫৮৬নং দাগে ৫ একর ৭১ শতাংশ সম্পত্তি নিলাম খরিদ করে।
একটু সুস্থ্য হওয়ার পর তানিয়া বিষয়টি তার বাবা বুলবুল সরকারকে জানায়। বুলবুল সরকার তার ভাইদের প্রদর্শিত দলিল সর্ম্পকে খোঁজ খবর নেয়া শুরু করে। সাব-রেজিষ্ট্রার কার্যালয়ের ভলিউমের সাথে তার ভাইদের প্রদর্শিত দানপত্র দলিলটি মিলাতে গিয়েই বিপত্তি বাধে। দেখা যায় ভলিউমের সাথে তাদের প্রদর্শিত দলিলের মিল নেই। পরে ওই দলিলের বিরুদ্ধে বুলবুল সরকার আদালতে একটি জালিয়াতি মামলা দায়ের করেন। এরপর থেকে বুলবুল সরকারের পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে একের পর এক মিথ্যা ও হয়রানি মুলক মামলা দিচ্ছে প্রতিপক্ষরা।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, বুলবুল সরকারের দায়েরকৃত ১৪৪ ধারার মামলায় খোকন সরকার গং দের দখলকৃত জমি আদালতের নিষেধাজ্ঞা জারী থাকার পরও জোর পূর্বক ভাবে চাষাবাদ অব্যাহত রেখেছে। এ বিষয়ে স্থানীয় সখিপুর থানায় মৌখিক ভাবে জানালেও অদৃশ্য শক্তির প্রভাবে থানা কর্তৃপক্ষের সাড়া পাওয়া যায় নাই।
বুলবুল সরকার অভিযোগ করে বলেন, অভিযুক্ত খোকন সরকার একটি সংঘবদ্ধ চক্রের মাধ্যমে জালিয়াতির আশ্রয় নিয়ে স্থানীয় তহশিল অফিসের অসাধু কর্মকর্তাদের যোগসাজশে ভূয়া দলিল ও অবৈধ মিউটেশন চেক দাখিলা প্রস্তুত করেছেন। এখন তারা পেশিশক্তি ও রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে ওই জমি অবৈধভাবে দখলের চেষ্টা চালাচ্ছেন।
কামরুজ্জামান খোকন সরকার বলেন, আমাদের কাছে ৩০৫ শতাংশ জমি বুলবুল সরদার বিক্রি করছে। তাই আমরা ভোগ করতেছি। আর এ বিষয় পাল্টাপাল্টি মামলা চলমান। আর আমরা কোন জাল দলিল তৈরি করিনি।