Header
প্রিন্ট তারিখঃ অক্টোবর ৫, ২০২৬ , ১১:১৯ অপরাহ্ণ | প্রকাশের সময়ঃ অক্টোবর ৫, ২০২৬ , ৮:৪৩ অপরাহ্ণ

রায়পুরে অর্পিত সম্পত্তির ১২ লাখ টাকা কোষাগারে জমা হয়নি, দুই কর্মচারীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে চিঠি

লেখকঃ লক্ষ্মীপুর জেলা প্রতিনিধি :

লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে অর্পিত সম্পত্তি ইজারা বাবদ আদায় করা ১২ লাখ ৭ হাজার ৯১০ টাকা সরকারি কোষাগারে জমা না দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে উপজেলা ভূমি অফিসের দুই কর্মচারীর বিরুদ্ধে। ওই অর্থ আদায় করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে লক্ষ্মীপুরের জেলা প্রশাসককে চিঠি দিয়েছে চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়।

গত বৃহস্পতিবার চট্টগ্রাম বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের সিনিয়র সহকারী কমিশনার গোলাম মুস্তাফা মুন্না স্বাক্ষরিত চিঠিটি লক্ষ্মীপুরের জেলা প্রশাসকের কাছে পাঠানো হয়।
চিঠিতে বলা হয়, রায়পুর উপজেলা ভূমি অফিসের ২০২৫-২৬ অর্থবছরের হিসাব নিরীক্ষায় সরকারি লিজের দুটি খাতে আদায় করা অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা না দেওয়ার বিষয়টি উঠে এসেছে। এর মধ্যে একটি খাতে ১ লাখ ৯ হাজার ১৩০ টাকা এবং অন্য খাতে ১০ লাখ ৯৮ হাজার ৭৮০ টাকা আদায় করা হলেও তা কোষাগারে জমা দেওয়ার তথ্য পাওয়া যায়নি।

অভিযুক্ত দুই কর্মচারী হলেন জাহাঙ্গীর আলম ও মো. নকিব হোসেন শান্ত। জাহাঙ্গীর আলম রায়পুর উপজেলা ভূমি অফিসের প্রধান সহকারী ও হিসাবরক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। বর্তমানে তিনি রামগতি উপজেলা ভূমি অফিসে কর্মরত। আর মো. নকিব হোসেন শান্ত রায়পুর উপজেলা ভূমি অফিসে সার্টিফিকেট পেশকার (নাজির) হিসেবে কর্মরত রয়েছেন।
বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়ের চিঠিতে সরকারি অর্থ জমা না দেওয়ার বিষয়ে তদন্ত করে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে বিধি মোতাবেক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

একই সঙ্গে দায়ী ব্যক্তিদের কাছ থেকে ১২ লাখ ৭ হাজার ৯১০ টাকা আদায় করে সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়ার পাশাপাশি গৃহীত ব্যবস্থা সম্পর্কে বিভাগীয় কমিশনার কার্যালয়কে অবহিত করতে বলা হয়েছে।

অভিযোগের বিষয়ে জাহাঙ্গীর আলমের মুঠোফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি সাড়া দেননি।

তবে মো. নকিব হোসেন শান্ত অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, “টাকা সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হয়েছে। তবে ভুলবশত রেজিস্টারে লিপিবদ্ধ করা হয়নি। এ কারণে অডিট আপত্তি উঠেছে।”

চিঠির বিষয়ে জানতে লক্ষ্মীপুরের জেলা প্রশাসক এস এম মেহেদী হাসানকে ফোন করা হলে তিনি বার্তা পাঠাতে বলেন। পরে তাঁকে বার্তা পাঠানো হলেও কোনো জবাব পাওয়া যায়নি।
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) মাহবুব হাসান চিঠি পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, “এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।”

 

 

প্রিন্ট করুন