বাবা হারা দশম শ্রেণির এক অসহায় শিক্ষার্থীর পড়াশোনা যেন কোনোভাবেই থেমে না যায় এই মানবিক দায়িত্ববোধ থেকেই তার হাতে তুলে দেওয়া হলো প্রয়োজনীয় শিক্ষা উপকরণ। ব্যবস্থা করা হলো বিনাবেতনে অধ্যয়নসহ প্রাইভেট পড়ার।
অভাব ও প্রতিকূলতার মাঝেও মেয়েটির চোখে রয়েছে স্বপ্ন,এগিয়ে যাওয়ার প্রত্যয়। তার সেই স্বপ্নপূরণের পথকে একটু সহজ করতে ক্ষুদ্র এই সহযোগিতা ও সহমর্মিতা। সমাজের বিত্তবানেরা গরীব ও মেধাবীদের সহযোগিতা করলে তারা হয়ত অনেক দূর এগিয়ে যেতে পারবে।
সরকারি দায়িত্বের পাশাপাশি মানুষের দুঃখ-কষ্টে পাশে দাঁড়ানো,অসহায় মানুষের মুখে হাসি ফোটানো এবং মানবিকতার বন্ধনকে আরও দৃঢ় করাই হোক আমাদের প্রত্যয়। সন্দ্বীপ উপজেলা নির্বাহী অফিসার বলেন, মানুষের জন্য কাজ করার সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি একজন অসহায় মানুষের মুখে স্বস্তির হাসি।
আজকালের কন্ঠ/আর বি