Header
প্রিন্ট তারিখঃ সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬ , ৯:২৬ অপরাহ্ণ | প্রকাশের সময়ঃ সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২৬ , ৮:২৪ অপরাহ্ণ

পুলিশ ভেরিফিকেশনে যোগ্য প্রার্থীদের বাতিলের অভিযোগে ছাত্রশিবিরের বিক্ষোভ

লেখকঃ মো. মোসাদ্দেক হোসেন, ইবি প্রতিনিধি

সহকারী শিক্ষক নিয়োগে অনিয়ম, দলীয়করণ এবং পুলিশ ভেরিফিকেশনের নামে যোগ্য প্রার্থীদের বাতিলের অভিযোগের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছে ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখা ছাত্রশিবির।

রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৭টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের জিয়া মোড় থেকে বিক্ষোভ মিছিলটি ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে প্রধান ফটকে এসে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে মিলিত হয়।

এসময় বিক্ষোভ মিছিলে ‘২৪’এর অঙ্গিকার, চাকরি পাবে মেধা যার’, ‘চাকরিতে দলীয়করণ, মানি না মানবো না’, ‘শিক্ষাঙ্গণে দলীয়করণ, মানি না মানবো না’, ‘নিয়োগে বৈষম্য, মানি না মানবো না’, ‘মেধার প্রতি অবিচার, মানি না মানবো না’, ‘সিন্ডিকেটের কালো হাত, ভেঙে দাও গুড়িয়ে দাও’, ‘প্ল্যান প্ল্যান কোন প্ল্যান, নিয়োগ বাণিজ্যের মাস্টার প্ল্যান’ স্লোগান দিতে দেখা যায়।

সমাবেশে শাখা ছাত্রশিবিরের সেক্রেটারি রাশেদুল ইসলাম রাফি বলেন, “এই সরকার ক্ষমতায় এসে শিক্ষক নিয়োগে পুলিশ ভেরিফিকেশনের মাধ্যমে হয়রানির পথ বেছে নিয়েছে। এনটিআরসিএ বাদ দিয়ে তারা দলীয় লোক নিয়োগ দিয়ে আবারও ফ্যাসিবাদ কায়েম করতে চেয়েছিল। এর আগে ভাইভার নাম্বার বাড়িয়ে দলীয়করণ করতে চেয়েছিল। এ দেশের মেধাবী শিক্ষার্থীরা তা মেনে নিবে না। শিক্ষক নিয়োগে মেধাবী শিক্ষার্থীদের বাদ দেওয়া হয়েছে। সরকারকে ভূতে ধরেছে। সরকার বারবার হাসিনার মত ফ্যাসিবাদ কায়েম করতে চায়। ২৪’-এর অঙ্গিকার ছিল মেধাবীদের নিয়োগ দেওয়া।”

সরকারকে অনুরোধ জানিয়ে তিনি বলেন, “মেধাবীদের হয়রানি না করে নিয়োগ দিন। পুলিশ ভেরিফিকেশনের নামে মেধাবীদের বাদ না দিয়ে আওয়ামী গুপ্তদের বাদ দিন এবং দেশের আইনশৃঙ্খলার অবস্থা উন্নত করুন। চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজী বন্ধ করুন। এ দেশের শিক্ষার্থীরা অবিচার ও বৈষম্য মেনে নেয়নি, নেবে না। আমরা সরকারের শুভাকাঙ্ক্ষী। জুলাই সনদ বাস্তবায়ন করে মেধাবীদের নিয়োগ বাস্তবায়ন করুন। পুলিশ ভেরিফিকেশনের নামে দলীয়করণ ছাত্র-জনতা মেনে নেবে না।”

উল্লেখ্য, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ-২০২৫-এর চূড়ান্ত ফলাফলে ১৪ হাজার ৩৮৪ জন প্রার্থীকে নিয়োগের জন্য সুপারিশ করা হয়। তবে ভেরিফিকেশন শেষে বিভিন্ন জেলার ১২ শতাধিক সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থী নিয়োগপত্র পাননি বলে অভিযোগ উঠেছে। বাদ পড়া অনেক প্রার্থীর দাবি, তাদের বিরুদ্ধে কোনো ফৌজদারি অপরাধের রেকর্ড নেই এবং নিয়োগ থেকে বাদ দেওয়ার সুনির্দিষ্ট কারণও তাদের জানানো হয়নি।

আজকালের কন্ঠ/আর বি

প্রিন্ট করুন