লক্ষ্মীপুরের রায়পুরে প্রিন্সিপাল কাজী ফারুকী স্কুল অ্যান্ড কলেজে একাদশ ও ডিপ্লোমা প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থীদের নবীনবরণ এবং কৃতি শিক্ষার্থী সংবর্ধনা অনুষ্ঠান-২০২৬ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) প্রতিষ্ঠানের ক্যাম্পাসে আয়োজিত বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পানিসম্পদমন্ত্রী ও লক্ষ্মীপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন লক্ষ্মীপুর-২ (রায়পুর) আসনের সংসদ সদস্য আবুল খায়ের ভূঁইয়া।
এ ছাড়া প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক, পরিচালনা পর্ষদের সদস্য, শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। নবীন শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে বরণ করে নেওয়ার পাশাপাশি কৃতি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা ও সম্মাননা দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পড়াশোনার পাশাপাশি নৈতিকতা ও চরিত্র গঠনের ওপর গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, আজকের শিক্ষার্থীরাই আগামী দিনের দেশ পরিচালনা ও উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। মেধা, সততা ও যোগ্যতার মাধ্যমে নিজেদের গড়ে তুলে দেশ ও মানুষের কল্যাণে কাজ করার জন্য তিনি শিক্ষার্থীদের প্রতি আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত সংসদ সদস্য আবুল খায়ের ভূঁইয়াও শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে শুভেচ্ছা জানান এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সার্বিক অগ্রযাত্রায় সংশ্লিষ্টদের ভূমিকার প্রশংসা করেন। তাঁর বক্তব্যের বিস্তারিত লিখিত রূপ অনলাইনে পাওয়া না যাওয়ায় নির্দিষ্ট উদ্ধৃতি ব্যবহার করা হয়নি।
শিক্ষায় ধারাবাহিক সাফল্য
প্রিন্সিপাল কাজী ফারুকী স্কুল অ্যান্ড কলেজের এবারের আয়োজনটি এমন সময়ে অনুষ্ঠিত হলো, যখন প্রতিষ্ঠানটি শিক্ষা ক্ষেত্রে একাধিক সাফল্য অর্জন করেছে। প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব ওয়েবসাইটে ২০২৬ সালের জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহে অর্জনের তথ্য এবং একাদশ শ্রেণির ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষের নবীনবরণ অনুষ্ঠানের নোটিশ প্রকাশ করা হয়েছে। প্রতিষ্ঠানটি রায়পুর উপজেলার পশ্চিম রাখালিয়ায় অবস্থিত এবং কলেজের EIIN নম্বর ১৩৫৩২৬।
এর আগে ২০২৬ সালের আগস্টে প্রফেসর কাজী ফারুকী কল্যাণ ট্রাস্টের উদ্যোগে লক্ষ্মীপুর জেলার এসএসসি, দাখিল ও সমমান পরীক্ষায় জিপিএ-৫ পাওয়া প্রায় ৭০০ শিক্ষার্থীকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়।
প্রতিষ্ঠানটির নবীনবরণ নিয়ে আজকের প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে শিক্ষার্থীদের নিয়মিত পড়াশোনা ও চরিত্র গঠনের মাধ্যমে দেশ গঠনে ভূমিকা রাখার আহ্বানের বিষয়টি উঠে এসেছে।
নবীন শিক্ষার্থীদের নতুন শিক্ষাজীবনের আনুষ্ঠানিক সূচনার পাশাপাশি কৃতি শিক্ষার্থীদের স্বীকৃতি দেওয়ার মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানটি শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি করে।
আয়োজকরা জানান, শিক্ষার্থীদের শুধু পরীক্ষার ফলাফলে নয়, বরং নৈতিকতা, শৃঙ্খলা, মানবিকতা ও দেশপ্রেমে সমৃদ্ধ করে গড়ে তোলাই প্রতিষ্ঠানের অন্যতম লক্ষ্য।
আজকালের কন্ঠ/আর বি