Header
প্রিন্ট তারিখঃ সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২৬ , ৪:৫৬ অপরাহ্ণ | প্রকাশের সময়ঃ সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২৬ , ৩:২২ অপরাহ্ণ

সেতু নির্মাণে রডের বদলে বাঁশ, এলজিইডির ৩ কর্মকর্তা-কর্মচারী বরখাস্ত

লেখকঃ আজকালের কন্ঠ ডেস্ক

নোয়াখালী ও টাঙ্গাইলে সেতু নির্মাণে অনিয়মের অভিযোগে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) তিন কর্মকর্তা-কর্মচারীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন প্রকৌশলীদের কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। এসব ঘটনায় তদন্তেরও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) এলজিইডির প্রধান প্রকৌশলী মো. বেলাল হোসেনের সই করা পৃথক আদেশে এসব ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানানো হয়।

নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে নির্মাণাধীন একটি সেতুর ফুটপাতের স্ল্যাব ও রেলিংয়ের রডের কাজে অনিয়মের অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় বেগমগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয়ের উপসহকারী প্রকৌশলী মো. নাজমুল ইসলাম ও কার্যসহকারী মো. মহিন উদ্দিনকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। তাঁদের বিরুদ্ধে সরকারি কর্মচারী বিধিমালা অনুযায়ী বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার কথাও আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।

এ ঘটনায় নোয়াখালীর নির্বাহী প্রকৌশলী যুগল কৃষ্ণ মণ্ডল ও বেগমগঞ্জ উপজেলা প্রকৌশলী আবুল মনছুর আহমেদের কাছে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। সাত কর্মদিবসের মধ্যে তাঁদের জবাব দিতে বলা হয়েছে। অভিযোগ তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে এলজিইডির নোয়াখালী অঞ্চলের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীকে।

অন্যদিকে, টাঙ্গাইলের বাসাইলে নির্মাণাধীন একটি সেতুর ফুটপাতের স্ল্যাব তৈরিতে রডের পরিবর্তে বাঁশ ব্যবহারের অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনায় বাসাইল উপজেলা প্রকৌশলীর কার্যালয়ের কার্যসহকারী মো. হাসমত আলীকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। এর আগে একই ঘটনায় উপসহকারী প্রকৌশলী মো. মনিরুজ্জামানকেও সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

এ ছাড়া টাঙ্গাইলের নির্বাহী প্রকৌশলী ও বাসাইল উপজেলা প্রকৌশলীর কাছে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম বলেন, উন্নয়নকাজে অনিয়ম-দুর্নীতি করে কেউ পার পাবে না। জনগণের অর্থ লুটপাট কিংবা মানুষের জীবন ঝুঁকিতে ফেলার সঙ্গে জড়িতদের জবাবদিহির আওতায় আনা হবে। তদন্তে অপরাধ প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এলজিইডির এসব পদক্ষেপের মাধ্যমে সেতু নির্মাণকাজে অনিয়মের অভিযোগগুলো তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

আজকালের কন্ঠ/আর বি

প্রিন্ট করুন