Header
প্রিন্ট তারিখঃ সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬ , ৯:৩১ অপরাহ্ণ | প্রকাশের সময়ঃ সেপ্টেম্বর ২২, ২০২৬ , ৮:৩১ অপরাহ্ণ

ইন্টার্নশিপের মাধ্যমে নেতৃত্বের গুণাবলি বিকশিত হবে: নোবিপ্রবি উপাচার্য

লেখকঃ নোবিপ্রবি প্রতিনিধি

নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (নোবিপ্রবি) শিক্ষা বিভাগের ২০২২–২৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের ‘বিদ্যালয় ইন্টার্নশিপ বিষয়ক মতবিনিময় সভা ও শিক্ষোপকরণ প্রদর্শন’ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬) বিশ্ববিদ্যালয়ের ইনস্টিটিউশনাল কোয়ালিটি অ্যাসুরেন্স সেলের (আইকিউএসি) সেমিনার কক্ষে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে শিক্ষা বিভাগের প্রভাষক মো: শাহরিয়ার শফিক -এর সঞ্চালনায় এবং বিভাগের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মো: ওয়ালিউর রহমান আকন্দের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নোবিপ্রবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. গোলাম রব্বানী।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে উপাচার্য বলেন, ‘ইন্টার্নশিপ হচ্ছে শ্রেণিকক্ষে অর্জিত তাত্ত্বিক জ্ঞানের ব্যবহারিক প্রয়োগ। ইন্টার্নশিপের মধ্য দিয়ে শিক্ষার্থীদের একজন শিক্ষক বা ম্যানেজার হিসেবে গড়ে ওঠার পাশাপাশি নেতৃত্বের গুণাবলিও বিকশিত হবে।’

তিনি বলেন, শিক্ষা বিভাগের শিক্ষার্থীরা বর্তমানে সাতটি বিদ্যালয়ে ইন্টার্নশিপ করছে। তবে নোবিপ্রবির নিজস্ব একটি ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা রয়েছে। এটি প্রতিষ্ঠিত হলে শিক্ষার্থীদের ইন্টার্নশিপের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের বাইরে যেতে হবে না।

উপাচার্য বলেন, ‘আমরা একটি ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজ প্রতিষ্ঠার পর্যায়ে আছি। আগামী এক-দুই বছরের মধ্যে সেই স্কুল হয়তো দৃশ্যমান হবে, ইনশাআল্লাহ।’ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক পরিচালিত প্রতিষ্ঠানটি একটি মডেল স্কুল-কলেজ হিসেবে গড়ে তোলার প্রত্যাশার কথাও জানান তিনি।

ইন্টার্নশিপে আর্থিক সহায়তার বিষয়ে অধ্যাপক গোলাম রব্বানী বলেন, বর্তমানে শিক্ষার্থীরা নিজেদের অর্থায়নে ইন্টার্নশিপ করে। অনেক সময় অর্থসংকটের কারণে শিক্ষার্থীরা নিয়মিত ইন্টার্নশিপে যেতে চায় না। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) ও শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আগামী অর্থবছর থেকে ফোর্থ ইয়ার, ফাইনাল ইয়ার ও মাস্টার্স পর্যায়ের ইন্টার্নশিপ করা শিক্ষার্থীদের জন্য বাজেট বরাদ্দের সম্ভাবনা রয়েছে।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, কোষাধ্যক্ষ ও শিক্ষা বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো: হাছান উদ্দিন এবং নোয়াখালী জেলা শিক্ষা অফিসার মো: আবুল কাশেম।

এ সময় ইন্টার্নশিপে ব্যবহারিক অভিজ্ঞতার গুরুত্ব তুলে ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ ও শিক্ষা বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. হাছান উদ্দীন বলেন, ‘আমরা মনে করি, ইন্টার্নশিপে প্র্যাকটিক্যাল ইন্ডাস্ট্রির কোলাবোরেশন ছাড়া বা ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে এডুকেশনাল ইনস্টিটিউশনের কো-অপারেশন ছাড়া শিক্ষার পরিপূর্ণতা আসবে না।’

তিনি বলেন, ‘সরকার বিষয়টি উপলব্ধি করছে। স্বাধীনতার অনেক বছর পর হলেও এখন আমরা এটি বাস্তবায়নের দিকে যাচ্ছি। আগামী বছর থেকে এটি বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে বলে আমরা আশা করছি। ইন্টার্নশিপের জন্য ছোট আকারে হোক বা বড় আকারে হোক, একটি অনারিয়াম দেওয়ার চেষ্টা করা হবে। ইউজিসিও হয়তো এ বিষয়ে উদ্যোগ নেবে।’

অনুষ্ঠানে অনান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ফাতেমা বেগম পপি, সহকারী অধ্যাপক সৈয়দ মো: সিয়াম এবং প্রভাষক মো: মোকাররম হোসেন।

শেষে শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন আমন্ত্রিত অতিথি ও শিক্ষক বৃন্দ এছাড়াও সভা শেষে শিক্ষার্থীদের তৈরি বিভিন্ন শিক্ষা উপকরণ প্রদর্শন করা হয়।

আজকালের কন্ঠ/আর বি

প্রিন্ট করুন