
ফ্যাসিবাদী সরকারের প্রধানমন্ত্রী যিনি ইতিমধ্যে সাজাপ্রাপ্ত দণ্ডপ্রাপ্ত। তিনি এবং তার দলের বহু লোকজন ওখানে পালিয়ে আছে। তারাও সাজা প্রাপ্ত। ভারতে পালিয়ে আছেন। ভারতের সাথে আমাদের এক্সিবিশন চুক্তির আওতায় আমরা কিন্তু সেই কমিউনিকেশন ভারত সরকারের সাথে করছি। ভারত সরকার বলেছে এটি একটি আইনগত ব্যাপার। তাদের বিচার বিভাগ এটা দেখছে।
এখানে পার্থক্যটা হচ্ছে উনি দন্ড প্রাপ্ত আসামী। কোথায় বসে কি বলছে এটা বিবেচ্য বিষয় না। বাংলাদেশ সরকার ভারত সরকারের সাথে কমিউনিকেশনে আছে যোগাযোগে আছে। যখনই এক্সেকিউশনের মাধ্যমে সাবেক প্রধানমন্ত্রীকে ফেরত দেয়া হবে। তখনই বাংলাদেশের আইনে তাকে এরেস্ট করা হবে এবং জেলে যেতে হবে। ইতিমধ্যে বাংলাদেশের আইনমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বিষয়টি পরিষ্কার করেছেন।
মাদারীপুর জেলার উন্নয়ন কার্যক্রম গতিশীল করার লক্ষ্যে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির বিশেষ সভা ও মতবিনিময় সভায় আজ মঙ্গলবার দুপুরে মাদারীপুর জেলা প্রশাসক এর সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম এমপি এ কথা বলেন।
এ সময় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মাদারীপুর দুই আসনের এমপি জাহান্দার আলী মিয়া, ৩ আসনের এমপি আনিসুর রহমান খোকন তালুকদার, মাদারীপুর ১ আসনের এমপি সাইদ উদ্দিন আহমেদ হানজালা, সংরক্ষিত আসনের এমপি হেলেন জেরিন খান।
সভায় সভাপতিত্ব করেন মাদারীপুর জেলা প্রশাসক মর্জিনা আক্তার। সভায় পুলিশ সুপার, সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
শ্যামা ওবায়েদ মক্কা চুক্তি প্রসঙ্গে বলেন, এখন এই জোটে বাংলাদেশ যাবে কিনা এখন পর্যন্ত চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়া হয়নি। ভবিষ্যতে বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক পর্যায়ে কোন জোটে যুক্ত হওয়ার আগে আমাদের দেশের যে পলিসি সেই পলিসি মেন্টেন করেই আমরা আসলে সিদ্ধান্ত নেব। আমাদের প্রধানমন্ত্রীর যে ভীষণ হলো সবার আগে বাংলাদেশ। যে কোন গ্রুপে যুক্ত হওয়ার আগে আমরা দেখব যে সেটা বাংলাদেশের মানুষের স্বার্থসংশ্লিষ্ট কিনা। এর উপকার আসবে কিনা সেটা বিবেচনা করে আমরা জোটে যাব।
মানব পাচার বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী আরো বলেন, মানব পাচার প্রতিরোধে বাংলাদেশের ১৪ টি জেলা নিয়ে কাজ করেছি। ইতিমধ্যে মাদারীপুর অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
মাদারীপুরের মানব পাচার বিষয়টি আন্তর্জাতিক দালাল চক্রের একটি বিষয়। দেশ এবং বিদেশে এই দালাল চক্র অবস্থান করছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী যারা রয়েছেন আমি তাদেরকে বলব, যে আপনারা এই দালালদের আইডেন্টিফাই করেন। দালালদের নাম পরিচয় আপনাদের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে দেন তাহলে আমরা চেষ্টা করতে পারি হয়তো আমরা আন্তর্জাতিকভাবে তাদেরকে ধরার চেষ্টা করতে পারি। বাংলাদেশী কেউ যদি বিদেশে বসে আমাদের দেশের মানুষদের মানব পাচার করে বা করছে আপনাদের কাছে কোন তথ্য থাকলে অবশ্যই আমাদের সেটা দিবেন আমাদের সরকার সেটা সচেষ্ট ভাবে সমাধান করবে।
এই সমস্যা সমাধানের জন্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় যৌথভাবে একটি কমিটি করা হয়েছে এ বিষয়ে কাজ করার জন্য। লিবিয়া হয়ে ইতালি যাওয়ার প্রবনতা রোধ করার জন্য আমরা একাধিকবার ইতালি সরকার ও লিবিয়া সরকারের সাথে বসেছি কি ভাবে সমাধান করা যায়।
আজকালের কন্ঠ/আর বি
আপনার মতামত লিখুন :