পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আবদুল্লাহ খায়রুল ইসলাম চৌধুরীর অপসারণ দাবিতে মানববন্ধন করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) সকালে উপজেলা পরিষদ কমপ্লেক্সের সামনে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার শতাধিক মানুষের অংশগ্রহণে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে বক্তারা ইউএনওর বিরুদ্ধে মাদক নিয়ন্ত্রণে ব্যর্থতা, ফ্যামিলি কার্ডের তালিকা প্রণয়নে অনিয়ম ও পক্ষপাতিত্ব এবং দায়িত্ব পালনে অবহেলার অভিযোগ তোলেন। এ সময় ইউএনওর অপসারণ দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দেন অংশগ্রহণকারীরা।
বক্তারা অভিযোগ করেন, এলাকায় মাদক নিয়ন্ত্রণে প্রশাসনের কার্যকর ও দৃশ্যমান কোনো পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে না। একই সঙ্গে ফ্যামিলি কার্ডের তালিকায় প্রকৃত সুবিধাভোগীদের বাদ দিয়ে বিতর্কিত ও অনুপযুক্ত ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করার অভিযোগও করেন তারা। এসব কারণে উপজেলা প্রশাসনের প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা কমছে বলেও দাবি করেন বক্তারা।
মানববন্ধনে বক্তব্য দেন মোসা. স্বর্ণা আক্তার, মো. আমিনুল ইসলাম, মো. মাহাবুব খলিফা, আ. রহমান ও মো. নাজেম সরদারসহ অনেকে। বক্তারা দ্রুত ইউএনওকে অপসারণ করে নিরপেক্ষ ও জনবান্ধব প্রশাসন নিশ্চিতের দাবি জানান।
এদিকে, অভিযোগ অস্বীকার করেছেন ইউএনও আবদুল্লাহ খায়রুল ইসলাম চৌধুরী। তিনি বলেন, ফ্যামিলি কার্ডের তালিকা মেধার ভিত্তিতেই করা হয়েছে। কোনো অনৈতিক সুবিধা বা কারও সুপারিশ রক্ষা করা হয়নি। এসব কারণে কেউ অসন্তুষ্ট হয়ে অভিযোগ করতে পারেন।
দাপ্তরিক ব্যস্ততার বিষয়ে ইউএনও বলেন, ইউএনওর দায়িত্বের পাশাপাশি তিনি সহকারী কমিশনার (ভূমি) (এসিল্যান্ড)-এর অতিরিক্ত দায়িত্ব পালন করছেন। নিয়মিত সভা ও প্রশাসনিক কার্যক্রমের কারণে কাজের চাপ থাকে। ফলে অনেক সময় সেবাপ্রার্থীদের সঙ্গে সরাসরি দেখা করা সম্ভব হয় না।
মানববন্ধন থেকে আন্দোলনকারীরা ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে ইউএনওকে অপসারণের আল্টিমেটাম দেন। দাবি পূরণ না হলে আরও কঠোর কর্মসূচি দেওয়ার হুঁশিয়ারি দেন তারা।
আজকালের কন্ঠ/আর বি