‘সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন চুপ্পু, ব্যাংক লুট করেছেন এবং ইসলামী ব্যাংক দখল করে এস আলমের হাতে তুলে দিয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব ও সংসদ সদস্য আখতার হোসেন।
রবিবার (২৬ জুলাই) ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (ইবি) শাখা জাতীয় ছাত্র শক্তির আয়োজিত বর্ষা-বিপ্লবের স্মৃতিচারণ ও নতুন রাজনৈতিক ধারা বিনির্মাণ’ শীর্ষক আলোচনা সভা শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।
এসময় আখতার হোসেন বলেন, “অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের সময়ে আমরা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ব্যানারে আন্দোলন করেছি যেন শাহাবুদ্দিন চুপ্পুকে রাষ্ট্রপতির পদ থেকে অপসারণ করতে হয়। তখন সাংবিধানিক সংকটের কথা আমাদের কাছে বলা হয়েছিল। আমরা আমাদের দাবি কন্টিনিউ রেখেছিলাম। যখন নির্বাচিত সরকার আসলো তখনও আমরা অপসারণের বিষয়টি সরকারকে অবগত করেছিলাম। কারণ সেসময় নির্বাচিত সরকারের সাংবিধানিক সংকট থাকার কথা না। তারপরেও তারা (বিএনপি) শাহাবুদ্দিন চুপ্পুর কাছ থেকে সংসদ বিলুপ্তির ডিক্লারেশন নিয়েছিলো। এরই মাধ্যমে তারা আসলে সংসদকে কলঙ্কিত করলো।
তিনি আরও বলেন, শাহাবুদ্দিন চুপ্পু শুধুমাত্র ফ্যাসিবাদের একজন আইকন না। তিনি একজন লুটেরা। তিনি ব্যাংক লুট করেছেন। ইসলামী ব্যাংক তিনি দখল করে এস আলমের হাতে তুলে দিয়েছেন। বিদেশে বাড়িঘর করেছেন, বিদেশে একটা পার্মানেন্ট রেসিডেন্সি তিনি নিয়েছেন। এধরনের একজন ব্যক্তি, তিনি তো রাষ্ট্রপতির পদে আসীন থাকার মতো যোগ্যতা তার থাকে না। এমনকি ৫ আগস্টের পরে শেখ হাসিনা তার কাছে পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছে কি দেয় নাই, সেটা নিয়ে তিনি দুই ধরনের কথা বলেছেন, মিথ্যাচার করেছেন। একবার বলেছেন তার কাছে পদত্যাগপত্র দেওয়া হয়েছে আরেকবার তিনি বলেছেন তার কাছে পদত্যাগপত্র দেওয়া হয় নাই। শাহাবুদ্দিন চুপ্পু বিএনপির সাথে একটা ইন্টারনাল নেগোসিয়েশন করে এবং সেই নেগোসিয়েশনের জায়গা থেকে বিএনপি সরকার গঠন করার পরেও একটা সময় পর্যন্ত তাকে রাষ্ট্রপতি হিসেবে রেখেছে এবং এরই ধারাবাহিকতায় বিএনপি রাষ্ট্রপতিকে সেফ এক্সিট দিতে চায়।”
উল্লেখ্য অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব আখতার হোসেন এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন যুগ্ম আহ্বায়ক আলী আহসান জুনায়েদ, যুগ্ম আহ্বায়ক সারোয়ার তুষার এবং যুগ্ম মুখ্য সংগঠক ড. মাহমুদা আলম মিতু এমপিসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।
আজকালের কন্ঠ/আর বি