গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে স্নাতকে ভর্তির সময়সীমা দফায় দফায় বাড়ানোর পর বর্তমানে ৪৫৭টি আসন ফাঁকা রয়েছে। তবে যোগ্যপ্রার্থীর অভাবে কিছু নির্দিষ্ট আসন বাদ দিলে প্রকৃতপক্ষে ফাঁকা আসনের সংখ্যা দাঁড়ায় ৪৩৫টি। এদিকে কেন্দ্রীয়ভাবে ভর্তির সময়সীমা আর বাড়ছে না, বরং শূন্য আসনগুলো পূরণের দায়িত্ব স্ব-স্ব বিশ্ববিদ্যালয়ের হাতে ছেড়ে দেওয়া হতে পারে বলে জানিয়েছে গুচ্ছ ভর্তি কমিটির সদস্য সচিব ও ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মনজুরুল হক।
গুচ্ছ ভর্তি কমিটির সদস্য সচিব সিট ফাঁকা থাকার বিষয়ে বলেন, “এই যে কয়দিন বাড়ানো হয়েছে, তারপর আমাদের এখানে (ইবি) একজন এসেছে, কবি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে একজন এসেছে, এই দুটোরই সন্ধান আমি পেয়েছি। আমাদের এখনও ৩৫টা সিট ফাঁকা; এর মধ্যে ৩৪টা মেরিটে একটা হলো কোটাতে।”
মোট ফাঁকা আসনের হিসাব স্পষ্ট করে তিনি আরও বলেন, “৪৫৭ এর মধ্যে কিছু ব্যাপার আছে। যেমন, রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৪ টা মিউজিকের আসন ফাঁকা আছে, মিউজিকে কোন এলিজিবল (যোগ্য) ক্যান্ডিডেট পাওয়া যায়নি। তারপরে কবি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ওইরকম সাত জন বা আট জন মিউজিকের ফাঁকা আছে। সেই হিসেবে ৪৫৭ থেকে প্রায় ২১ বা ২২ জন বাদ যাবে। তার মানে ৪৫৭ থেকে ২১ জন বাদ দিলে ফাঁকা আছে ৪৩৫ টি আসন।”
ভর্তি প্রক্রিয়ার পরবর্তী পদক্ষেপ সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি জানান, “আজকালের মধ্যে মিটিং করে সিদ্ধান্ত জানিয়ে দিবে আমার ধারণা। এরপরে মেয়াদ বাড়ানোর কোন সম্ভাবনা নাই, সেন্ট্রালি আর কিছু হবে না। আমরা তো আরো আগে ক্লোজ করতে চাইছিলাম। কিন্তু যেহেতু আমাদের সার্কুলারে দেওয়া ছিল যে চারটা মাইগ্রেশন দিতে হবে, যার ফলে আমরা চারটা মাইগ্রেশন কমপ্লিট করেছি।”
কেন্দ্রীয় প্রক্রিয়া শেষে আসন পূরণের বিষয়ে তিনি আরও বলেন, “এখন ভর্তি যদি হয় তা বিশ্ববিদ্যালয়গুলি নিজস্ব ভাবে করবে। বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে ডাটা দিয়ে দিব আমরা। বিশ্ববিদ্যালয় তখন ভর্তি কাজটা করবে।”
উল্লেখ্য, দেশের দক্ষিণাঞ্চলে অতিবর্ষণ ও প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে গুচ্ছভুক্ত (জিএসটি) ২০টি সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের চূড়ান্ত ভর্তির সময়সীমা আগামী ২১ জুলাই পর্যন্ত বর্ধিত করা হয়েছিল।
আজকালের কন্ঠ/আর বি