লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ উপজেলায় চুরির একটি ঘটনার তদন্তে অভিযান চালিয়ে চোরচক্রের এক সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে রামগঞ্জ থানা পুলিশ। এ সময় তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে চুরি হওয়া বিপুল পরিমাণ স্বর্ণালংকার ও অন্যান্য মালামাল উদ্ধার করা হয়। একই দিনে পৃথক আরেকটি অভিযানে একটি মামলার এজাহারভুক্ত আরও এক আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৭ জুলাই) ভোরে অভিযান শেষে দুজনকেই আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২ জুলাই রাত থেকে ৩ জুলাই সকাল পর্যন্ত উপজেলার পূর্ব চন্ডিপুর এলাকার বাসিন্দা ইসমাইল হোসেনের বসতঘরে চুরির ঘটনা ঘটে। দুর্বৃত্তরা নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় ৭ জুলাই রামগঞ্জ থানায় একটি মামলা দায়ের করা হয়।
মামলার তদন্তের অংশ হিসেবে রামগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. ফিরোজ উদ্দীন চৌধুরীর নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে উত্তর চন্ডিপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে মো. মনির হোসেন ওরফে মায়া মনির (৩২)-কে গ্রেপ্তার করে।
পুলিশের দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মনির চুরির ঘটনায় জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন। পরে তার দেখানো মতে একটি স্বর্ণের নেকলেস, একটি গলার চেইন, এক জোড়া কানের দুল, এক জোড়া কানটানা, এক জোড়া ঝুমকা, একটি স্বর্ণের ব্রেসলেট, চারটি স্বর্ণের আংটি, একটি রুপার কানের রিং এবং একটি হাতঘড়ি উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত আলামত জব্দ করেছে পুলিশ।
পুলিশ আরও জানায়, গ্রেপ্তার হওয়া মনির হোসেন একটি ডাকাতি প্রস্তুতি মামলার গ্রেপ্তারি পরোয়ানাভুক্ত আসামিও। তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ শেষে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে, পৃথক আরেকটি অভিযানে রামগঞ্জ থানায় দায়ের করা একটি মামলার এজাহারভুক্ত ১ নম্বর আসামি সবুজ হোসেন (৪০)-কে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। পরবর্তীতে তাকেও আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়।
রামগঞ্জ থানা পুলিশ জানিয়েছে, অপরাধ দমন, চোরচক্রের সদস্যদের আইনের আওতায় আনা এবং আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে তাদের নিয়মিত অভিযান অব্যাহত থাকবে।
আজকালের কন্ঠ/আর বি