তারাগঞ্জ থানার এসআই (নি:) মাহবুব হোসেন সঙ্গীয় অফিসার ফোর্সসহ থানা এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করাকালীন গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান পরিচালনা করে তারাগঞ্জ থানাধীন নতুন চৌপতি মহাসড়কস্থ ডালিয়া ক্যানেল ব্রীজের পূর্ব প্রান্তের মহাসড়কের দক্ষিণ-পূর্ব কোণে ডালিয়া ক্যানেলের পাড়ের পাশে সোর্সের দেয়া তথ্য মতে মোটরসাইকেল ও টর্চের আলোতে কতিপয় ব্যক্তিকে দেখে যে, কতিপয় ব্যক্তি ক্যাসিনো ও বিভিন্ন অনলাইন জুয়া খেলাসহ ভূয়া ভিসা দেওয়ার নামে বিভিন্ন প্রতারণামূলক ভিডিও সাইবার স্পেসে শেয়ার করার কার্ষক্রম চালাচ্ছে। উক্ত এসআই ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের অনুমতি সাপেক্ষে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে তাদের আটক করার চেষ্টা করলে অনলাইন জুয়াখেলায় পারদর্শী এবং অস্ট্রেলিয়া, কানাডাসহ বিভিন্ন দেশে ভিসা দেওয়ার নামে প্রতারনা করিয়া বিপুল পরিমাণ অর্থ আত্মসাৎকারী নীলফামারী জেলার কিশোরগঞ্জ থানার মৃত আজমীর হোসেন এর পুত্র অভিযুক্ত ১। বশীর মাহমুদ আলিফ (২১) পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টাকালে তাকে হাতেনাতে সংশ্লিষ্ট আলামতসহ গ্রেফতার করেন। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে বাকিরা পালিয়ে যায়। ধৃত অভিযুক্তকে ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদে সে নিজের এবং পলাতক একাধিক অভিযুক্তদের নাম-ঠিকানা প্রকাশ করে। ধৃত বশীরের দেহ বিধি মোতাবেক তল্লাশি করে ক্যাসিনো ও ভিসা প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত স্মার্ট মোবাইল ফোন, প্রতারণার কাজে ব্যবহৃত বিভিন্ন ভুয়া কাগজপত্র উদ্ধার করে বিধি মোতাবেক জব্দ করেন। ধৃত অভিযুক্ত বশীর মাহমুদ আলিফ’কে জিজ্ঞাসাবাদে সে তার সহযোগী একাধিক অভিযুক্তের নাম-ঠিকানা প্রকাশ করে। আলামতসহ ধৃত অভিযুক্তকে নিয়ে থানায় এসে মামলার এজাহার দায়ের করলে তারাগঞ্জ থানায় অদ্য ০১/০৭/২৬ খ্রি: সাইবার সুরক্ষা আইনে মামলা রুজু করা হয় ও ধৃত আসামীকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়। মামলার সুষ্ঠ তদন্ত শেষে অনতিবিলম্ব পুলিশ রিপোর্ট দাখিল করা হবে।