ময়মনসিংহ জেলায় মাদক নির্মূলে চলমান বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশের পৃথক অভিযানে ১০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও ১ কেজি গাঁজাসহ তিনজন চিহ্নিত মাদক কারবারিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ সময় উদ্ধার করা মাদকদ্রব্য জব্দ করে আইনগত প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।
ডিবি পুলিশ সূত্রে জানা যায়, জেলার বিভিন্ন এলাকায় মাদক কারবারিরা সক্রিয় রয়েছে—এমন গোপন তথ্যের ভিত্তিতে জেলা গোয়েন্দা শাখার একটি বিশেষ টিম অভিযান পরিচালনা করে। দীর্ঘ সময় নজরদারি শেষে সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের আটক করা হয়। পরে তাদের দেহ তল্লাশি এবং সঙ্গে থাকা ব্যাগ ও অন্যান্য সামগ্রী তল্লাশি করে ১০০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট এবং প্রায় ১ কেজি গাঁজা উদ্ধার করা হয়।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতদের বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে জেলার বিভিন্ন এলাকায় মাদক সংগ্রহ, পরিবহন ও বিক্রির সঙ্গে জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। তাদের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে এবং এ চক্রের সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
পুলিশের দাবি, মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িতদের কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না। মাদক নির্মূলে নিয়মিত অভিযান, গোয়েন্দা নজরদারি এবং তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে। মাদকের বিস্তার রোধে জেলা পুলিশের পাশাপাশি ডিবি পুলিশের সদস্যরাও দিন-রাত নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।
এ বিষয়ে ময়মনসিংহ জেলা গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) একজন দায়িত্বশীল কর্মকর্তা বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে পুলিশের অবস্থান অত্যন্ত কঠোর। সমাজকে মাদকের ভয়াবহতা থেকে রক্ষা করতে এবং তরুণ প্রজন্মকে সুরক্ষিত রাখতে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে। কোনো মাদক কারবারিকেই আইনের আওতার বাইরে থাকতে দেওয়া হবে না।
তিনি আরও বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণে সাধারণ মানুষের সহযোগিতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কোথাও মাদক কেনাবেচা, সংরক্ষণ বা পরিবহনের তথ্য জানা থাকলে দ্রুত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অবহিত করার আহ্বান জানান তিনি।
জেলা গোয়েন্দা শাখা জানিয়েছে, মাদকবিরোধী এ ধরনের বিশেষ অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। মাদকের সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি ও সংঘবদ্ধ চক্রের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি গোটা জেলায় মাদক নিয়ন্ত্রণে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে ডিবি পুলিশ।
(প্রকাশের আগে অনুগ্রহ করে গ্রেফতারের স্থান, তারিখ, সময়, আসামিদের নাম এবং কোন থানায় মামলা হয়েছে—এসব তথ্য যুক্ত করে নিলে সংবাদটি আরও পরিপূর্ণ হবে।
আজকালের কন্ঠ/আর বি