Header
প্রিন্ট তারিখঃ সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬ , ১২:১৬ অপরাহ্ণ | প্রকাশের সময়ঃ মে ২৪, ২০২৬ , ১১:১৫ পূর্বাহ্ণ

চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা সদর স্থানান্তরের দাবিতে মানববন্ধন

লেখকঃ জাকির হোসেন জুয়েল, লক্ষ্মীপুর জেলা প্রতিনিধি

লক্ষ্মীপুরের নবগঠিত চন্দ্রগঞ্জ উপজেলা কার্যালয়ের স্থান পুনর্বিবেচনা ও সদর দপ্তর স্থানান্তরের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (২৩ মে) দুপুরে চন্দ্রগঞ্জ বাজারে স্থানীয় ব্যবসায়ী ও সংশ্লিষ্ট ইউনিয়নের বাসিন্দাদের ব্যানারে এ মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়। এতে চন্দ্রগঞ্জ, হাজিরপাড়া, উত্তর জয়পুর ও চরশাহী ইউনিয়নের শতাধিক মানুষ অংশ নেন।

মানববন্ধনে বক্তব্য দেন প্রতাপগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক হারুনুর রশিদ, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ফুয়াদ হোসেন, সাংবাদিক মোহাম্মদ হাসান, প্রতাপগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী দেলোয়ার হোসেন মানিক এবং ব্যবসায়ী শহীদুল ইসলাম প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, উপজেলা পরিষদ চন্দ্রগঞ্জ ও হাজিরপাড়া ইউনিয়নের মধ্যবর্তী স্থানে স্থাপন করা হলে সাধারণ মানুষ সহজেই স্কুল-কলেজ, ব্যাংকসহ সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সেবা গ্রহণ করতে পারবেন। এছাড়া ওই এলাকায় সরকারের প্রায় ১১ একর খাস জমি রয়েছে। ফলে নতুন করে জমি অধিগ্রহণের প্রয়োজন হবে না এবং সরকারের অর্থও সাশ্রয় হবে।

তারা আরও বলেন, বর্তমানে গেজেটে উল্লেখিত চরচামিতা ও বটতলি মৌজায় উপজেলা সদর স্থাপন করা হলে দূরবর্তী এলাকার বাসিন্দাদের ভোগান্তি বাড়বে। তাই জনস্বার্থ বিবেচনায় উপজেলা কার্যালয়ের স্থান পুনর্বিবেচনার দাবি জানান তারা।

এ বিষয়ে শুক্রবার (২২ মে) চন্দ্রগঞ্জ উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হিসেবে অতিরিক্ত দায়িত্ব পাওয়া লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ক্যাথোয়াইপ্রু মারমা বলেন, “মানববন্ধনের বিষয়টি আমাদের জানা নেই। সরকারি গেজেট অনুযায়ী আমরা কার্যক্রম পরিচালনা করবো।”

প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালের ২ জুন লক্ষ্মীপুর সদর থানাকে বিভক্ত করে ৯টি ইউনিয়ন নিয়ে চন্দ্রগঞ্জ থানা গঠন করা হয়। ইউনিয়নগুলো হলো— বশিকপুর, দত্তপাড়া, উত্তর জয়পুর, চন্দ্রগঞ্জ, হাজিরপাড়া, চরশাহী, দিঘলী, মান্দারী ও কুশাখালী। পরে গত ৭ মে সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত নিকার সভায় চন্দ্রগঞ্জকে উপজেলা ঘোষণা করা হয়। আর ১৯ মে চরচামিতা ও বটতলি মৌজাকে উপজেলার সদর দপ্তর উল্লেখ করে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ গেজেট প্রকাশ করে।

আজকালের কন্ঠ/আর বি

প্রিন্ট করুন