
পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলার মুরাদিয়া ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে সরকারি খাল পুনঃখননের নামে নকশা বহির্ভূতভাবে ব্যক্তিমালিকানাধীন রেকর্ডীয় জমির ওপর দিয়ে খাল খননের অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার।
বৃহস্পতিবার(২১ মে) সন্ধ্যায় প্রেসক্লাব দুমকির হলরুমে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন চরগবদী গ্রামের বাসিন্দা মো. মাহতাব হোসেন। এসময় তার পরিবারের সদস্য ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
লিখিত বক্তব্যে মাহতাব হোসেন বলেন, মুরাদিয়া ইউনিয়নের ৩২৪ নম্বর এসএ খতিয়ানের ৪৪৫৫, ৪৫২৬, ৪৫২৭, ৪৪৫৪, ৪৪৬৯, ৪৪৬৮, ৪৪৭০ ও ৪৪২১ দাগে মোট ১৬৪ শতাংশ জমি তাদের পৈত্রিক ও রেকর্ডীয় সম্পত্তি। ওয়ারিশ সূত্রে তারা দীর্ঘদিন ধরে এসব জমি ভোগদখল করে আসছেন।
তিনি অভিযোগ করেন, তাদের জমির উত্তর-পশ্চিম পাশ দিয়ে একটি সরকারি খাল রয়েছে। সম্প্রতি পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) ওই খাল পুনঃখননের উদ্যোগ নেয় এবং বর্তমানে সেখানে খনন কাজ চলছে। তবে সিএস ও আরএস ম্যাপ অনুযায়ী সরকারি খালের মূল অবস্থান অনুসরণ না করে স্থানীয় প্রভাবশালী ব্যক্তি মো. সোহরাব হোসেনের ইন্ধনে খালের অ্যালাইনমেন্ট পরিবর্তন করে তাদের ব্যক্তিমালিকানাধীন জমির ওপর দিয়ে খনন করা হচ্ছে।
সংবাদ সম্মেলনে আরও অভিযোগ করা হয়, খনন কাজের কারণে তাদের জমিতে থাকা বিভিন্ন মূল্যবান গাছপালা কেটে ফেলা হয়েছে এবং এতে কয়েক লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। এছাড়া এ ঘটনার প্রতিবাদ করায় অভিযুক্তদের পক্ষ থেকে ভুক্তভোগী পরিবারকে হুমকি-ধমকি দেওয়া হচ্ছে বলেও দাবি করা হয়।
মাহতাব হোসেন প্রশাসনের কাছে দাবি জানিয়ে বলেন, সরকারি খালের মূল নকশা ও রেকর্ড অনুযায়ী পুনঃখনন কাজ পরিচালনা করতে হবে এবং ব্যক্তিমালিকানাধীন জমি রক্ষায় দ্রুত কার্যকর ব্যবস্থা নিতে হবে।
আজকালের কন্ঠ/আর বি
আপনার মতামত লিখুন :