Header
প্রিন্ট তারিখঃ সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬ , ১০:৫৯ অপরাহ্ণ | প্রকাশের সময়ঃ মে ১২, ২০২৬ , ১১:১২ পূর্বাহ্ণ

শরীয়তপুরের নাওডোবায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও পদ্মা সেতু জাদুঘর নির্মাণ কাজের শুভ উদ্বোধন

লেখকঃ মোঃ নাসির খান, শরীয়তপুর প্রতিনিধি

শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার নাওডোবা এলাকায় “বৃক্ষরোপণে সাজাই দেশ সবার আগে বাংলাদেশ” এই স্লোগান কে সামনে রেখে পরিবেশ সংরক্ষণ, পর্যটন বিকাশ এবং পদ্মা সেতুর ইতিহাস সংরক্ষণের লক্ষ্যে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি ও পদ্মা সেতু জাদুঘর নির্মাণ কাজের শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সোমবার (১১ মে) সকাল ১০টায় পদ্মা সেতুর নাওডোবা প্রান্তে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে সরকারের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি, সংসদ সদস্য এবং সেতু বিভাগের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের মাননীয় মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ রাজিব আহসান এমপি, মাননীয় হুইপ এবং জাতীয় সংসদের সদস্য মিয়া নুরুদ্দিন আহমেদ অপু এমপি, শরীয়তপুর -৩ , শরীয়তপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শফিকুর রহমান কিরণ এমপি এবং শরীয়তপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য সাঈদ আহমেদ আসলাম এমপি।

উপস্থিত ছিলেন, শরীয়তপুরের বিজ্ঞ ম্যাজিস্ট্রেট (ডিসি) মিস তাহসিনা বেগম।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের সচিব ও নির্বাহী পরিচালক মোহাম্মদ আব্দুর রউফ।

অনুষ্ঠানের শুরুতেই অতিথিরা পদ্মা সেতুর নাওডোবা এলাকায় বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলা এবং পদ্মা সেতু এলাকাকে আরও সবুজ ও দৃষ্টিনন্দন করে গড়ে তুলতে এ কর্মসূচির আওতায় বিভিন্ন প্রজাতির গাছ রোপণ করা হবে বলে জানানো হয়। বক্তারা বলেন, দেশের উন্নয়নের পাশাপাশি পরিবেশ রক্ষার বিষয়টিও সরকার অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করছে। পদ্মা সেতুর মতো বৃহৎ স্থাপনার আশপাশে পরিকল্পিত বৃক্ষরোপণ ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি সুন্দর ও টেকসই পরিবেশ নিশ্চিত করবে।

এরপর অতিথিরা পদ্মা সেতু জাদুঘর নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, জাদুঘরটিতে পদ্মা সেতু নির্মাণের ইতিহাস, বিভিন্ন ধাপের আলোকচিত্র, প্রকৌশল নকশা, নির্মাণসামগ্রী, তথ্যচিত্র এবং দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় পদ্মা সেতুর অবদান তুলে ধরা হবে। এছাড়াও দেশি-বিদেশি পর্যটকদের জন্য আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সংবলিত একটি দর্শনীয় স্থানে রূপান্তর করা হবে এই জাদুঘর এলাকা।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে শেখ রবিউল আলম এমপি বলেন, “পদ্মা সেতু শুধু একটি সেতু নয়, এটি বাংলাদেশের সক্ষমতা, আত্মবিশ্বাস ও উন্নয়নের প্রতীক। এই জাদুঘর নির্মিত হলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম পদ্মা সেতুর ইতিহাস ও দেশের অগ্রযাত্রার গল্প জানতে পারবে।”

বিশেষ অতিথিদের বক্তব্যেও সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ডের ধারাবাহিকতা এবং পরিবেশবান্ধব উদ্যোগের গুরুত্ব তুলে ধরা হয়। তারা বলেন, পদ্মা সেতুকে ঘিরে দক্ষিণাঞ্চলের অর্থনীতি, যোগাযোগ ব্যবস্থা ও পর্যটন শিল্পে নতুন সম্ভাবনার সৃষ্টি হয়েছে। জাদুঘর নির্মাণের মাধ্যমে এ সম্ভাবনা আরও বিস্তৃত হবে।

অনুষ্ঠানে স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা, সেতু বিভাগের প্রকৌশলী, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সাংবাদিক এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন। পরে অতিথিরা বৃক্ষরোপণ কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করেন এবং নির্মাণকাজের নির্ধারিত স্থান পরিদর্শন করেন।

আজকালের কন্ঠ/আর বি

প্রিন্ট করুন