দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে—বিশেষ করে জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) পদায়নকে কেন্দ্র করে অনিয়ম, তদবির ও আর্থিক লেনদেনের গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের সময় বিরোধী দল দমনে সক্রিয় ভূমিকা রাখা এবং গুম-গায়েবি মামলার আসামিদের পুনরায় গুরুত্বপূর্ণ অবস্থানে বসানো হচ্ছে। এই প্রক্রিয়ায় পেশাদারিত্বের চেয়ে রাজনৈতিক প্রভাব ও ব্যক্তিগত পছন্দের প্রাধান্য পাওয়ায় মাঠপর্যায়ে পুলিশ প্রশাসনে চরম অসন্তোষ বিরাজ করছে।
সবচেয়ে বেশি অভিযোগ উঠেছে ময়মনসিংহ রেঞ্জকে ঘিরে। বিগত সরকারের সময়ে দাপুটে হিসেবে পরিচিত অন্তত ১৭ জন ওসিকে এই রেঞ্জে পুনরায় পদায়ন করা হয়েছে বলে গুঞ্জন রয়েছে।
কেন্দুয়া থানার উদাহরণ: নেত্রকোনার কেন্দুয়া থানায় নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল আলোচিত ওসি আব্দুল মজিদকে। তিনি আওয়ামী আমলে নান্দাইল ও মুক্তাগাছা থানায় দায়িত্ব পালনকালে বিতর্কিত ভূমিকা রেখেছিলেন। বিষয়টি জানাজানি হলে এক ঘণ্টার মাথায় তাকে প্রত্যাহার করা হয়। এছাড়াও ময়মনসিংহের দোবাউড়া ওসি শফিকুল ইসলাম আওয়ামী শাসন আমলে জামালপুর বকশিগঞ্জ থানার দাপটে ওসি ছিলেন। এবার পুরনো মদ নতুন বোতলে!
বঞ্চিত পেশাদার কর্মকর্তারা: অন্যদিকে, ১৫ বছর পদোন্নতিবঞ্চিত পরিদর্শক শামসুল হুদা খানের মতো কর্মকর্তাদের বেলায় রেঞ্জ ডিআইজি নেতিবাচক অবস্থান নিয়েছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এসব বিষয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ে জমা পড়া অভিযোগের ভিত্তিতে ইতিমধ্যে তদন্ত শুরু হয়েছে।
আজকালের কন্ঠ/আর বি