Header
প্রিন্ট তারিখঃ সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬ , ১০:৫১ অপরাহ্ণ | প্রকাশের সময়ঃ এপ্রিল ২২, ২০২৬ , ৭:৩৯ অপরাহ্ণ

জিয়াউর রহমানের স্মৃতিফলকের মর্যাদা রক্ষায় প্রশাসনের পদক্ষেপ

লেখকঃ মোঃআলী আশরাফ , বাউফল (পটুয়াখালী ) প্রতিনিধি :

পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলায় শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ঐতিহাসিক স্মৃতিফলকের পাশে নির্মিত শৌচাগারকে কেন্দ্র করে জনমনে ক্ষোভ ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। বিষয়টি নজরে আসার পর দ্রুত পদক্ষেপ নিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।

বুধবার (২২ এপ্রিল ২৬) ২টায় বাউফল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে উপজেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক সামুয়েল আহমেদ লেনিন একটি লিখিত আবেদন জমা দেন। আবেদনে উল্লেখ করা হয়, ১৯৭৯ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি বাউফল উপজেলার মদনপুরা ইউনিয়নের চন্দ্রপাড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে হেলিকপ্টারে অবতরণ করে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। ঐ ঘটনার স্মৃতিচিহ্ন হিসেবে স্থাপিত ফলকটি বর্তমানে অবহেলা ও অযত্নে নষ্টপ্রায়। এর পাশেই একটি শৌচাগার নির্মাণ করায় স্থানটির মর্যাদা ক্ষুণ্ন হয়েছে।

অভিযোগ পাওয়ার পর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সালেহ আহমেদ বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে গ্রহণ করেন। তিনি প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিয়ে সরেজমিনে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।পরিদর্শন শেষে তিনি জানান, স্মৃতিফলকের পাশ থেকে শৌচাগারটি অপসারণ করে মসজিদসংলগ্ন স্থানে নতুনভাবে নির্মাণ করা হবে, যা উপজেলা প্রশাসনের অর্থায়নে বাস্তবায়িত হবে।

তিনি আরও বলেন, “ঐতিহাসিক এই স্মৃতিফলক সংরক্ষণ ও সৌন্দর্যবর্ধনের জন্য একটি দৃষ্টিনন্দন পরিবেশ গড়ে তোলা হবে। এখানে একটি ছোট অ্যাপ্রোচ সড়ক, বসার জন্য বেঞ্চ এবং একটি ফুলের বাগান নির্মাণ করা হবে। ভবিষ্যতে এটি একটি ছোট পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে, যাতে নতুন প্রজন্ম এই স্থানের ইতিহাস সম্পর্কে জানতে পারে।”

পরে তিনি মসজিদ কমিটির সভাপতি হাজী মোহাম্মদ ইদ্রিস বেপারীর সঙ্গে কথা বলেন এবং মসজিদের নির্ধারিত স্থানে নতুন শৌচাগার নির্মাণের আশ্বাস দেন। একই সঙ্গে খালের পাশে নির্মিত বর্তমান শৌচাগারটি পরিবেশগত কারণে বন্ধ করে দেওয়ার নির্দেশ দেন।এরপর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা চন্দ্রপাড়া মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠ পরিদর্শন করেন, যেখানে জিয়াউর রহমান হেলিকপ্টারে অবতরণ করেছিলেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রশাসনের পিআইও মাইদুল ইসলাম মুরাদ, উপজেলা বিএনপির নেতৃবৃন্দ, স্থানীয় সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মীসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।স্থানীয়রা দ্রুত এ উদ্যোগ বাস্তবায়নের দাবি জানিয়ে বলেন, ঐতিহাসিক স্মৃতিচিহ্ন সংরক্ষণে প্রশাসনের এমন পদক্ষেপ প্রশংসনীয় এবং তা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

আজকালের কন্ঠ/আর এস

প্রিন্ট করুন