Header
প্রিন্ট তারিখঃ সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬ , ১১:১৯ পূর্বাহ্ণ | প্রকাশের সময়ঃ এপ্রিল ১৬, ২০২৬ , ৪:২৫ অপরাহ্ণ

প্রাকৃতিক দুর্যোগের শঙ্কার মাঝেই নেত্রকোণায় বোরো ধান কর্তন, বাম্পার ফলনে কৃষকের স্বস্তি

লেখকঃ সুশীল আচার্য্য, নেত্রকোনা জেলা প্রতিনিধি

নেত্রকোণার মাঠে মাঠে দুলছে সোনালি ধানের শিষ। তবে এবার মাথার ওপর ভর করেছে প্রাকৃতিক দুর্যোগের শঙ্কা। সাম্প্রতিক ভারী বৃষ্টিপাত ও আগাম বন্যার আশঙ্কা কৃষকদের উদ্বিগ্ন করে তুললেও, সময়মতো ধান ঘরে তুলতে পারলে ক্ষতি এড়ানো সম্ভব এমন আশায় কাজ করছেন তারা। তাই শঙ্কা আর স্বস্তির মিশ্র অনুভূতিতেই এগিয়ে চলছে বোরো মৌসুম।

নেত্রকোণায় পুরোদমে চলছে বোরো ধান কর্তন। সম্ভাব্য দুর্যোগের ক্ষতি এড়াতে ভর্তুকি মূল্যে সরবরাহ করা হারভেস্টার মেশিন দিয়ে দ্রুতগতিতে ধান কাটা হচ্ছে বলে জানিয়েছে স্থানীয় কৃষি বিভাগ। প্রতিবছরের মতো এবারও ভারী বর্ষণ ও আগাম বন্যার ঝুঁকি রয়েছে। এরই মধ্যে কিছু এলাকায় বৃষ্টিপাতের প্রভাব পড়তে শুরু করায় কৃষকেরা দ্রুত ফসল ঘরে তুলতে তৎপর হয়ে উঠেছেন। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে ক্ষয়ক্ষতি ছাড়াই সোনালি ধান ঘরে তুলতে পারবেন বলে আশা করছেন তারা।

বর্তমানে আটশ থেকে নয়শত টাকা মণ দরে ধান বিক্রি হচ্ছে। তবে কৃষকদের অভিযোগ, সার, বীজ ও অন্যান্য কৃষি উপকরণের উচ্চমূল্যের কারণে উৎপাদন খরচ বেড়েছে। তাই তারা ধানের ন্যায্য মূল্য নিশ্চিত করতে সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।অন্যদিকে, বাম্পার ফলনের কারণে ধান কাটার শ্রমিকদের মজুরি বেড়েছে।

এ বিষয়ে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. আমিরুল ইসলাম জানান, এ বছর আবাদ যেমন বেড়েছে, তেমনি ফলনও ভালো হয়েছে। ইতোমধ্যে ধান কাটা শুরু হয়েছে এবং দ্রুত সময়ের মধ্যেই হাওরাঞ্চলের শতভাগ ধান কর্তন সম্পন্ন করা সম্ভব হবে। এবং ডিজেল ও কিন্তু পর্যাপ্ত পরিমাণে মুজদ করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, কৃষকদের সুবিধার্থে প্রয়োজনীয় ডিজেল ও অন্যান্য উপকরণ পর্যাপ্ত পরিমাণে মজুদ রাখা হয়েছ।

নেত্রকোণার ১০ উপজেলায় এ বছর ১ লাখ ৮৫ হাজার ৫৪৭ হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ হয়েছে। এর মধ্যে শুধু হাওরাঞ্চলে আবাদ হয়েছে ৪১ হাজার ৬৫ হেক্টর জমিতে।

আজকালের কন্ঠ/আর বি

প্রিন্ট করুন