বরিশালের আগৈলঝাড়ায় জ্বালানি তেলের জন্য চরম জনভোগান্তি। ঘণ্টার পর ঘণ্টা লাইনে দাঁড়িয়েও তেলের পাম্পে মিলছেনা কাঙ্খিত তেল।চাহিদার চেয়ে খুবেই কম তেল পাচ্ছে কাঙ্খিত ক্রাতারা। আগৈলঝাড়া গৌরনদী কোটালিপাড়া বেশির ভাগ তেল পাম্পে নোটিশ দেয়া ‘তেল নেই’ আগৈলঝাড়া পাম্পে রাতের বেলায় কিছু তেল পাওয়া গেলেও অথচ কিছু অসাধু তেল বিক্রেতা গভীর রাতে বিভিন্ন তেলের পাম্প থেকে অবৈধভাবে তেল সংগ্রহ করে বাড়িতে মজুদ করে রাখার অভিযোগ পাওয়া গেছে। পরে তারা সেই তেল অতিরিক্ত দামে বিক্রি করছে।
এছাড়া পরিস্থিতি সামাল দিতে এবং বিশৃঙ্খলা এড়াতে আগৈলঝাড়া একমাত্র ফিলিং স্টেশনে বৈধ কাগজপত্র ছাড়া তেল বিক্রিতে কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে উপজেলা প্রশাসক ও থানা পুলিশ। পাশাপাশি সার্বিক নজরদারি বাড়াতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে পাম্পে ট্যাগ অফিসার নিযুক্ত করা হয়েছে। চাহিদার তুলনায়
জ্বালানি সরবরাহ কম হওয়াতে এই উপজেলায় ভোগান্তি আরও তীব্র আকার ধারণ করেছে। চরম ভোগান্তিতে পরেছেন মোটরসাইকেলসহ অন্যান্য যানবাহনের চালকরা। বর্তমানে ইরি-বোরো মৌসুমে ডিজেলের ব্যাপক চাহিদা থাকা স্বত্বেও পাম্পে গিয়ে ডিজেল তেল পাওয়া যাচ্ছেনা।
কৃষকরা বলেন এই খরা মৌসুমে জমিতে পর্যাপ্ত পানি দিতে না পারলে জমির ধান নষ্ট হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কিন্তু ডিজেলের জন্য সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. বায়েজীদ সরদারের কাছে গেলে তিনি পাঁচ লিটার তেলের জন্য স্লিপ দেন। সেই স্লিপ নিয়ে পাম্পে গেলে তারপরে তেল পাওয়া যায়।যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি সরবরাহ কমে যাওয়ার ফলে তেল সংকট নিয়ে সারাদেশের মত আগৈলঝাড়াতেও আতঙ্ক ছড়িয়ে পরে।
অনেক ক্রেতা প্রয়োজনের তুলনায় অতিরিক্ত জ্বালানি কিনতে শুরু করলে সরকার পেট্রল, অকটেন ও ডিজেল বিক্রিতে সীমা নির্ধারণ করে দেয়। যে কারণে মোটরসাইকেল চালকদের একশ’ বা দুইশ’ টাকার বেশি তেল দেয়া হচ্ছেনা। এতে সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পরেন মোটরসাইকেল চালকরা।আগৈলঝাড়া ফিলিং স্টেশন সূত্রে জানা গেছে, ডিপো থেকে চাহিদার অর্ধেক জ্বালানি তেলও পাওয়া যাচ্ছেনা। একারণে রেশনিং পদ্ধতিতেই তারা তেল বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন।
আজকালের কন্ঠ/আর এস