দিনাজপুরের খানসামা উপজেলায় জ্বালানি তেলের বাজার স্থিতিশীল রাখতে এবং কৃত্রিম সংকট মোকাবিলায় কঠোর অবস্থানে নেমেছে উপজেলা প্রশাসন। সাধারণ মানুষের ভোগান্তি লাঘবে ফিলিং স্টেশনগুলোতে নিয়মিত তদারকি ও নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।
খানসামা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কামরুজ্জামান সরকার জানান, পাম্পগুলোতে তেলের সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে এবং কালোবাজারি রুখতে বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। বর্তমানে চালকরা তাদের যানবাহনের বৈধ কাগজপত্র এবং ড্রাইভিং লাইসেন্স প্রদর্শন করে প্রয়োজন অনুযায়ী তেল সংগ্রহ করতে পারছেন। এর ফলে পাম্পগুলোতে শৃঙ্খলা ফেরার পাশাপাশি প্রকৃত সেবাগ্রহীতারা উপকৃত হচ্ছেন।
অবৈধ মজুদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করে ইউএনও বলেন:কোনো খুচরা ব্যবসায়ী যদি ২ লিটার জ্বালানি তেলও অবৈধভাবে মজুদ করে, তবে তাকে কঠোর আইনি প্রক্রিয়ায় আনা হবে। কৃত্রিম সংকট তৈরি করে সাধারণ মানুষকে ভোগান্তিতে ফেলার কোন সুযোগ দেওয়া হবে না
প্রশাসনের এই ঝটিকা অভিযান ও কঠোর নজরদারিতে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় মোটরসাইকেল আরোহী ও সাধারণ চালকরা। তারা জানান, প্রশাসনের এমন সক্রিয় ভূমিকা থাকলে শুধু খানসামা নয়, পুরো দিনাজপুর জেলাতেই জ্বালানি তেলের কোনো সংকট থাকবে না। তেল নিতে আসা এক আরোহী বলেন, “কাগজপত্র চেক করে তেল দেওয়ায় এখন আমরা লাইনে দাঁড়িয়ে সহজেই তেল পাচ্ছি, বাড়তি দাম বা সংকটের ভয় নেই।”
উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, জনস্বার্থে এই তদারকি কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে এবং যেকোনো অনিয়ম পরিলক্ষিত হলে তাৎক্ষণিক মোবাইল কোর্ট পরিচালনার মাধ্যমে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আজকালের কন্ঠ/আর বি