পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় সরকারি রাস্তা সংস্কার কাজে বাধা প্রদান এবং ভেকু (এক্সকাভেটর) চালকের হেলপারকে মারধর করে আহত করার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় কয়েকজনের বিরুদ্ধে।
জানা গেছে, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের গ্রামীণ অবকাঠামো সংস্কার কর্মসূচির আওতায় দুমকি উপজেলার লেবুখালী ইউনিয়নের পূর্ব কার্তিকপাশা গ্রামে নজমত হাওলাদার বাড়ির পাকা রাস্তা থেকে নবাব হাওলাদার বাড়ি হয়ে করিম ফকিরের বাড়ি পর্যন্ত প্রায় ৮০০ ফুট রাস্তা মাটি দিয়ে পুনর্নির্মাণের জন্য ১ লাখ ৮৭ হাজার ৬০৬ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কয়েকদিন আগে রাস্তা সংস্কারের কাজ শুরু হলে একটি অংশ নিজেদের জমি দাবি করে সাহাজাহান, আলাম শরীফ গং ওই স্থানে বেড়া দিয়ে কাজ বন্ধ করে দেয়। বিষয়টি স্থানীয়ভাবে আলোচনার সৃষ্টি করলে এবং গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে উপজেলা প্রশাসন হস্তক্ষেপ করে বেড়া অপসারণ করে রাস্তাটি জনসাধারণের চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেয়।
রাস্তা পুনর্নির্মাণ কাজ বাস্তবায়ন কমিটির সভাপতি ও ২নং লেবুখালী ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান খলিলুর রহমান জানান, দীর্ঘদিন ধরে তিনটি বাড়ির প্রায় ২০টি পরিবার এই রাস্তা ব্যবহার করে আসছে। রাস্তার বেহাল অবস্থার কারণে সংস্কারের উদ্যোগ নেওয়া হয়। ইতোমধ্যে প্রায় ৭০০ ফুট কাজ সম্পন্ন হলেও পুনরায় বাধার সৃষ্টি করা হচ্ছে।
অভিযোগ রয়েছে, গত রবিবার বিকেলে রোকেয়া ও মোমেলা নামে দুই নারী ভেকুর কাছে গিয়ে কাজ বন্ধ করতে বলেন। এ সময় তারা ভেকু চালক ও হেলপারের দিকে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করলে হেলপার গুরুতর আহত হন। পরে তাকে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।ঘটনার পর এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে।
এ বিষয়ে দুমকি থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সেলিম উদ্দিন বলেন, “ঘটনার বিষয়ে থানায় অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
আজকালের কন্ঠ/আর এস