Header
প্রিন্ট তারিখঃ সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬ , ১:১৯ অপরাহ্ণ | প্রকাশের সময়ঃ মার্চ ২৭, ২০২৬ , ৭:০৯ অপরাহ্ণ

কুড়িগ্রামে সবকটি ফিলিং স্টেশন তদরকিতে থাকছে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট

লেখকঃ কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধি

চলমান তেল সংকট নিয়ন্ত্রণে জেলার সব ফিলিং স্টেশনে তদারকির জন্য নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ দিয়েছে জেলা প্রশাসন। জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। একই সঙ্গে জেলার বিভিন্ন পয়েন্টে চেকপোস্ট বসানোর নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।

অফিস আদেশে বলা হয়েছে, ফিলিং স্টেশনগুলোতে দৈনিক প্রাপ্যতা ও মজুদের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ, তেল বিতরণে শৃঙ্খলা রক্ষা, অবৈধ মজুদ বন্ধ এবং খোলা বাজারে অবৈধ বিক্রয় নিয়ন্ত্রণের জন্য উপজেলা নির্বাহী অফিসার, সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটদের নিয়োজিত করা হয়েছে। এছাড়া, দৈনিক তেল প্রাপ্তি ও বিক্রয়ের প্রতিবেদন সংগ্রহও নিশ্চিত করা হবে।

এর আগে জেলা প্রশাসন ফিলিং স্টেশনগুলোতে অভিযান চালিয়ে মজুদ রেজিস্ট্রার যাচাই ও ট্যাংক খোলার মাধ্যমে পরীক্ষা সম্পন্ন করে।

এছাড়া খুচরা বাজারে তেল বিক্রয়ও মনিটরিং করা হয়েছে। তবে পাম্পগুলোতে ডিপু থেকে সরবরাহ কম থাকায় সংকট নিরসন সম্ভব হয়নি।

জেলার ফিলিং স্টেশন ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন সূত্রে জানা যায়, রেশনিং পদ্ধতিতে তেল সরবরাহ কম হওয়ায় জেলার ২২টি ফিলিং স্টেশন ঈদের আগেই তেল শূন্য হয়ে যায়। ঈদের পরও চাহিদার তুলনায় বরাদ্দ কম থাকায় গ্রাহকদের মধ্যে অতিরিক্ত চাপ তৈরি হচ্ছে। বিশেষ করে একই মোটরসাইকেল চালক বারবার লাইনে দাঁড়িয়ে তেল নেওয়ায় মজুদদারি ও কালোবাজারির আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

ফিলিং স্টেশন ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক জামান আহমেদ বলেন, “ড্রাইভিং লাইসেন্স, হেলমেট ও রেজিস্ট্রেশন প্লেট ছাড়া মোটরসাইকেলে তেল বিক্রি করা যাবে না।

প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিরাপত্তার জন্য নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ করা হয়েছে।”জেলা প্রশাসক অন্নপূর্ণা দেবনাথ বলেন, “ফিলিং স্টেশনগুলোতে মোটরসাইকেল চালকদের চাপ বেশি। অনেকে বারবার তেল নেওয়ার চেষ্টা করছেন। মজুদ ও কালোবাজারির আশঙ্কা দেখা দেওয়ায় পাম্পগুলোতে তদারকির জন্য নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নিয়োগ এবং চেকপোস্ট স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সরবরাহ বাড়ানোর জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হচ্ছে।”

আজকালের কন্ঠ/আর বি

প্রিন্ট করুন