Header
প্রিন্ট তারিখঃ সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬ , ৭:৩২ পূর্বাহ্ণ | প্রকাশের সময়ঃ মার্চ ২১, ২০২৬ , ৩:০৯ অপরাহ্ণ

রিকশায় চড়ে বাবা – ছেলে ঈদগাহে :মুশফিক

লেখকঃ স্পোর্টস ডেস্ক :

দেশের বাইরে না থাকলে সবসময়ই বগুড়ায় নিজ গ্রামে ঈদের নামাজ আদায় করেন মুশফিকুর রহিম। এবার তার ব্যতিক্রম হয়নি, ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে বগুড়ার ধরমপুর মাটিডালি নাজিম উদ্দিন জিলাদার ঈদগাহ ময়দানে ঈদের নামাজ আদায় করেন তিনি।

আজ (২১ মার্চ) সকালে রিকশায় চড়ে ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে ঈদগাহ মাঠে নামাজ পড়তে যান সাবেক এই অধিনায়ক। আগে থেকে ঈদগাহে উপস্থিত ছিলেন তার বাবা মাহবুব হামিদ তারা।নামাজ আদায় শেষে উপস্থিত মুসল্লিদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন এবং অসহায় মানুষের মাঝে দান করেন মুশফিক। এর আগে সকালে পরিবারের সদস্যদের নিয়ে পারিবারিক কবরস্থান জিয়ারত করেন তিনি।

ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করে নেওয়া প্রসঙ্গে মুশফিকুর রহিম বলেন, সবাইকে ঈদ মোবারক। ঈদের আনন্দ পরিবারের পাশাপাশি আত্মীয়স্বজন ও গরিব মানুষের সঙ্গে ভাগাভাগি করে নেওয়া উচিত। আশা করি, আল্লাহ আমাদের রমজানের ইবাদত কবুল করবেন।

সম্প্রতি হজ করতে গিয়ে সৌদি আরবের জেদ্দায় আটকা পড়েন মুশফিকুর রহিম। মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের জন্য বিমান চলাচল বন্ধ ছিল।

ওই সময়ের কথা স্মরণ করতে গিয়ে মুশফিক বলেন, জেদ্দায় যখন আটকে ছিলাম, খুবই টেনশনে ছিলাম। প্রায় দেড় দিন সেখানে কাটাতে হয়েছে। আল্লাহর অশেষ রহমতে এবং আপনাদের দোয়াতে ফিরতে পেরেছি। এখনও যারা সেখানে আছেন, আশা করি তারা শীঘ্রই পরিবারের কাছে পৌঁছে যাবেন।

এদিকে নাতি ও ছেলেকে নিয়ে একসঙ্গে ঈদের নামাজ পড়তে পেরে আবেগাপ্লুত মুশফিকের বাবা মাহবুব হামিদ তারা। বিদেশের মাটিতে যুদ্ধের অনিশ্চয়তা আর প্রাণভয়ের মধ্যে কাটানো সেই সময়ের স্মৃতিচারণ করেন তিনি।

মুশফিকের বলেন, বিদেশের মাটিতে যুদ্ধাবস্থার মধ্যে ও (মুশফিক) যখন আটকে ছিল, আমরা খুবই দুশ্চিন্তায় ছিলাম। মহান আল্লাহর কাছে নামাজ পড়ে দোয়া করেছি। কয়েক মসজিদেও দোয়া করানো হয়েছিল।

আজকালের কন্ঠ/আর এস

প্রিন্ট করুন