Header
প্রিন্ট তারিখঃ সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬ , ১১:৫৮ পূর্বাহ্ণ | প্রকাশের সময়ঃ মার্চ ১, ২০২৬ , ৮:২১ অপরাহ্ণ

সেহরির শেষ সময়ে বেশি পানি খাওয়া কি ঠিক?

লেখকঃ আজকালের কন্ঠ ডেস্ক :

রমজানে রোজা রাখতে গিয়ে পানিশূন্যতা নিয়ে দুশ্চিন্তা থাকেই। সেই ভাবনা থেকেই অনেকেই সেহরির একেবারে শেষ সময়ে এক গ্লাস নয়, কয়েক গ্লাস পানি একসঙ্গে পান করেন। ধারণা—এতে সারাদিন পিপাসা কম লাগবে। কিন্তু বাস্তব চিত্র বলছে, এই অভ্যাস সব সময় উপকারে আসে না।

বিশেষজ্ঞদের মতে, শরীর একসঙ্গে খুব বেশি পানি ধরে রাখতে পারে না। সেহরির শেষ মুহূর্তে হঠাৎ অতিরিক্ত পানি পান করলে কিডনি দ্রুত তা প্রস্রাবের মাধ্যমে বের করে দেয়। ফলে ফজরের কিছু সময় পরই আবার তৃষ্ণা অনুভূত হতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে পেট ভারী লাগা, ফাঁপা ভাব বা অস্বস্তিও দেখা দেয়।

রোজার সময় পিপাসা লাগার বিষয়টি শুধু পানির পরিমাণের ওপর নির্ভর করে না। শরীরের লবণ ও পানির ভারসাম্য এখানে বড় ভূমিকা রাখে। শেষ সময়ে বেশি পানি খেলেও যদি ইফতার থেকে সেহরি পর্যন্ত পর্যাপ্তভাবে পানি না খাওয়া হয়, তাহলে এই ভারসাম্য ঠিক থাকে না। ফলাফল হিসেবে দিনের বেলায় তৃষ্ণা বেড়ে যায়।

পুষ্টিবিদরা বলছেন, সবচেয়ে ভালো উপায় হলো ইফতারের পর থেকে সেহরি পর্যন্ত সময়টাকে কাজে লাগানো। এই পুরো সময় জুড়ে অল্প অল্প করে পানি পান করলে শরীর ধীরে ধীরে তা শোষণ করতে পারে। সেহরির সময় মাঝারি পরিমাণ পানি খাওয়া যেতে পারে, তবে একসঙ্গে অনেকটা নয়। খুব ঠান্ডা পানি এড়িয়ে চলাও ভালো।

সেহরির খাবারও এখানে গুরুত্বপূর্ণ। ফলমূল, শাকসবজি ও আঁশযুক্ত খাবারে প্রাকৃতিকভাবে পানি থাকে, যা শরীরকে আর্দ্র রাখতে সাহায্য করে। অন্যদিকে অতিরিক্ত লবণাক্ত, ভাজাপোড়া বা ঝাল খাবার খেলে দিনের বেলায় পিপাসা আরও বাড়তে পারে।

সব মিলিয়ে বলা যায়, রমজানে শরীর ভালো রাখতে হলে তাড়াহুড়ো নয়, চাই সচেতন অভ্যাস।

আজকালের কন্ঠ/ আর এস

প্রিন্ট করুন