আব্দুল আজিজ মাত্র ২৫ বছর বয়সে প্রথম ধারাবারিষা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচিত হন। পরবর্তীতে পর পর আরও তিনবার ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। ২০১৪ সালে বিপুলভোটে উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। ২০১৮ সালেও জাতীয় নির্বাচনের জন্য বিএনপির থেকে মনোনয়ন পেয়েছিলেন। সে সময়ে আইনী জটিলতায় শেষ পর্যন্ত নির্বাচন করতে পারেননি। নিরলস পরিশ্রম আর মানুষের ভালোবাসা নিয়ে ধীরে ধীরে এগিয়ে যেতে থাকেন।
নিজ ইউনিয়নে ছাড়াও গুরুদাসপুর উপজেলা এলাকায় ছড়িয়ে পড়তে থাকে তার জনপ্রিয়তা। এরপর ২০১৪ সালে বিপুল ভোটের ব্যবধানে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে অংশ নিয়ে জয়লাভ করেন। এর পর বড়াইগ্রামেও দলীয় নেতাকর্মি ও সাধারণ মানুষের ব্যাপক জনপ্রিয়তা পান আব্দুল আজিজ।
২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে উপজেলা চেয়ারম্যান পদ থেকে পদত্যাগ করলেও তার পদত্যাগ গ্রহণ না হওয়ায়। শেষ পর্যন্ত সেইবার জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিতে পারেননি।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন বিএনপির দলীয় মনোনয়ন পান তিনি। তফশিল ঘোষণার আগে থেকেই তিনি গণসংযোগ,বিভিন্ন ধর্মীয়-সামাজিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে গিয়েছেন ভোটারদের কাছে। সব বয়সী মানুষকে আকৃষ্ট করেছেন আব্দুল আজিজ।
অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নাটোর-৪ আসনে সংসদ সদস্য পদে বেসরকারীভাবে ৩৫,৬৫৮ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন। আব্দুল আজিজ ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে দুই উপজেলায় পেয়েছেন ১ লক্ষ ৬৯ হাজার ৮৪৭ ভোট। তার
নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাওলানা আব্দুল হাকিম দাঁড়িপাল্লার প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১ লক্ষ ৩৪ হাজার ১৮৯ ভোট।
বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে দশটার দিকে এই ফলাফল ঘোষণা করেন সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা। তার দেওয়া তথ্যমতে কোনো প্রকার অপ্রীতিকর ঘটনা ছাড়াই ভোট গ্রহণ সম্পূর্ণ হয়েছে। জনপ্রিয়তার তুঙ্গে থাকা এই নেতার চমকে আনন্দ উৎসবে ভাসছে গুরুদাসপুর-বড়াইগ্রামবাসী।
নির্বাচিত হওয়ার পর আব্দুল আজিজ বলেন, এ বিজয় গুরুদাসপুর-বড়াইগ্রামবাসীর,এ বিজয় বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিজয়। এলাকার উন্নয়নে সবার সহযোগিতা কামনা করেন তিনি। মোঃ জালাল উদ্দিন, গুরুদাসপুর, নাটোর।
আজকালের কন্ঠ/আর বি