Header
প্রিন্ট তারিখঃ সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬ , ৬:২৬ অপরাহ্ণ | প্রকাশের সময়ঃ ফেব্রুয়ারি ১২, ২০২৬ , ১:২১ পূর্বাহ্ণ

নোয়াখালী-৫ আসনে বিএনপি জামায়াতের প্রার্থীর বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ

লেখকঃ নোয়াখালী জেলা প্রতিনিধি:

নোয়াখালী-৫ (কোম্পানীগঞ্জ ও কবিরহাট উপজেলা এবং সদর উপজেলার আংশিক অশ্বদিয়া ও নেয়াজপুর ইউনিয়ন) আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর বিরুদ্ধে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)।

বুধবার (১১ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় বসুরহাটে বিএনপির প্রার্থী মোহাম্মদ ফখরুল ইসলামের বাসভবনে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন নোয়াখালী-৫ আসনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মোহাম্মদ ফখরুল ইসলামের প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট, কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির নির্বাচনী সচিব ও সাবেক মেয়র কামাল উদ্দিন।

তিনি অভিযোগ করেন, জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী অধ্যক্ষ বেলায়েত হোসেন নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনসহ বিভিন্ন অনিয়মে জড়িত।

বিএনপির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর কর্মী,সমর্থকেরা নির্বাচনী এলাকায় প্রভাব বিস্তার, কয়েকটি কেন্দ্রে জাল ভোট দেওয়ার পরিকল্পনা, ধানের শীষের কর্মীদের ভয়ভীতি প্রদর্শন এবং প্রচারণায় আচরণবিধি লঙ্ঘনের মতো কর্মকাণ্ডে জড়িত।

লিখিত বক্তব্যে আরও বলা হয়, বুধবার বিকেলে কবিরহাট উপজেলার ৭ নম্বর ঘোষবাগ ইউনিয়নে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী ও তাঁর দলীয় কর্মীরা আচরণবিধি লঙ্ঘন করে দুই শতাধিক নেতাকর্মী জড়ো করেছেন বলে তাঁদের কাছে তথ্য রয়েছে। এছাড়া বহিরাগত লোকজন এনে নির্বাচনী পরিবেশ নষ্টের চেষ্টা এবং বসুরহাট পৌরসভার গরুর বাজার এলাকায় টাকা বিতরণের অভিযোগও তোলা হয়।

বিএনপির নেতারা দাবি করেন, দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মঙ্গলবার এক সংবাদ সম্মেলনে ধানের শীষের প্রার্থীর বিরুদ্ধে অতিরিক্ত ব্যালট ছাপানো ও কারচুপির চেষ্টার যে অভিযোগ তুলেছেন, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও ভিত্তিহীন। বরং এ ধরনের অপচেষ্টার সঙ্গে জামায়াত সংশ্লিষ্ট থাকতে পারে বলে, জনশ্রুতি রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তাঁরা।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন নোয়াখালী জেলা বিএনপির সদস্য ও কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক নুরুল আলম শিকদার এবং জেলা বিএনপির সদস্য ও বসুরহাট পৌরসভা বিএনপির আহ্বায়ক আবদুল মতিন লিটন। সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তাঁরা অভিযোগগুলোর বিস্তারিত তুলে ধরে নির্বাচন কমিশনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন।

নেতারা বলেন, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে প্রশাসনকে কার্যকর ভূমিকা রাখতে হবে। একই সঙ্গে অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণের পরিবেশ তৈরির দাবি জানান তাঁরা।সংবাদ সম্মেলনের শেষে বিএনপির নেতারা বলেন, সাংবাদিক ভাইয়েরা জাতির বিবেক। জামায়াত ও তাদের প্রার্থীর এসব অভিযোগ তাদের হীন স্বার্থ চরিতার্থ করার অপচেষ্টা।

আজকালের কন্ঠ/ আর এস/এস

প্রিন্ট করুন