কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলায় জনদুর্ভোগ লাঘবে এগিয়ে এলো ব্যক্তিগত উদ্যোগ। উপজেলার নীলকমল নদীর ওপর দীর্ঘদিনের জরাজীর্ণ ও ঝুঁকিপূর্ণ বাঁশের সাঁকোটি নতুন করে নির্মাণ করা হয়েছে। এর ফলে কুটিচন্দ্রখানা ও বিলুপ্ত ছিটমহল হাবিবপুরসহ তিনটি গ্রামের প্রায় ৬ হাজার মানুষের যাতায়াতে দীর্ঘদিনের ভোগান্তি দূর হলো।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নীলকমল নদীর ওপরের পুরোনো সাঁকোটি দীর্ঘদিন ধরে নড়বড়ে অবস্থায় ছিল। ফলে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থী, নারী ও কৃষকদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হতে হতো। বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সংবাদ প্রকাশিত হলে তা মেঘবাড়ি হাউজিংয়ের চেয়ারম্যান এমদাদুল হকের নজরে আসে। জনস্বার্থ বিবেচনা করে তিনি ব্যক্তিগত অর্থায়নে এবং এলাকাবাসীর সহায়তায় একটি মজবুত বাঁশের সাঁকো নির্মাণের উদ্যোগ নেন।
গত রোববার (২৫ জানুয়ারি) দুপুরে নবনির্মিত এই সাঁকোটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। এ উপলক্ষে এক সংক্ষিপ্ত আলোচনা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন: উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক খোরশেদ আলম, সাবেক সিনিয়র যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আরাবুর রহমান পাশা, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক আবুল হোসেন, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবক দলের আহ্বায়ক এইচ এম বাবুল, উপজেলা কৃষকদলের আহ্বায়ক হাফিজুর রহমান খন্দকারসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ।
নতুন সাঁকো নির্মাণের ফলে এলাকাবাসীর মধ্যে আনন্দের আমেজ লক্ষ্য করা গেছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, এই সাঁকোটি তাদের দৈনন্দিন জীবনযাত্রাকে অনেক সহজ করে দিয়েছে। তারা মেঘবাড়ি হাউজিংয়ের চেয়ারম্যানের এই মানবিক ও জনকল্যাণমূলক কাজের ভূয়সী প্রশংসা করেন এবং তাঁর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
আজকালের কন্ঠ/আর বি