গত শুক্রবার (০২ জানুয়ারি) বিকেলে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগরের চান্দুরা ইউনিয়নে জালালপুর গ্রামে আয়োজিত এক মত বিনিময় সভা থেকে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২ ( সরাইল, আশুগঞ্জ ও বিজয়নগরের দুটি ইউনিয়ন) আসনে পেশি শক্তির বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থানে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন বিএনপি থেকে সদ্য বহিষ্কৃত বিএনপি’র সহ-আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা। তিনি চাঁদাবাজি-টেন্ডারবাজির বিরুদ্ধেও দিয়েছেন বার্তা।
রুমিন ফারহানা বলেন, ‘এবারের নির্বাচন টেন্ডারবাজি, বোমাবাজি, চাঁদাবাজি, ভূমিদস্যুতাসহ বিভিন্ন অপরাধের বিরুদ্ধে নির্বাচন। কেউ যদি মনে করে জবরদস্তি করে রাজনীতি করবে সেটা বর্তমানে সম্ভব নয়। তাই সবাইকে সাবধান করে দিয়ে বলতে চাই কেউ যদি জবরদস্তির রাজনীতি করতে চায় জনগণ তাদেরকে দাঁতভাঙ্গা জবাব দেবে।’
কেউ যদি মনে করে রুমিন ফারহানার কোনো দল নেই তারা জীবনকালে সবচেয়ে বড় ভুল করবে বলে জানান তিনি। কারণ তিনি বিগত সময়ে শেখ হাসিনাসহ প্রশাসনকে এক মিনিটের জন্য তোয়াক্কা করেননি। তাই কোনো দল বা কোনো মতের মানুষ যদি মনে করে রুমিন ফারহানার দল নেই তাদেরকে সতর্ক করে দিয়ে বলেন, তার পাশে সরাইল, আশুগঞ্জের জনগণ রয়েছে।
ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের কোনো ভোটার, নেতাকর্মী বা কর্মী সমর্থকদের ভয়-ভীতি দেখিয়ে কেউ পার পাবে না বলেও জানান তিনি। রুমিন ফারহানা বলেন, যদি কেউ প্রভাব বিস্তার করে, ভয়ভীতি দেখিয়ে আমার নেতাকর্মী বা কোনো ভোটারকে দমিয়ে রাখতে চাই তাহলে তারা এখনো বড় ভুলের মধ্যে বসবাস করছে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, চান্দুরা ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান প্রার্থী মো. বাবুল মিয়া, রেনু মিয়া, চান্দুরা ইউনিয়ন পরিষদের আবু সাঈদ মেম্বার, মাজেদা খাতুন মেম্বার, নিরঞ্জন দাস, অমৃত দাস, নিরন্দ্র পাল, শান্ত পাল, যতিনী পাল, মুক্তার মেম্বার, আল আমিন, রনি, আকবর হোসেন, আবুল কাশেম, বাবলু মিয়া, আল আমিন, রাখাল ঋষি, মনির চৌধুরী, ইন্দ্র দাস সহ শত শত মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
তিনি এবারের দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে হাঁস মার্কা প্রতীক নিয়ে নির্বাচনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার আগ্রহ প্রকাশ করে বলেন, ‘আপনাদের মেয়ে আমি। আপনারা আপনাদের মেয়েকে ভোট দিয়ে বিজয় করবেন। আমার কাছে আপনারা যেভাবে খোলামেলা কথাবার্তা বলতে পারবেন অন্য কোনো এমপির কাছে এমনভাবে কথা বলতে পারবেন না। আমি সরাইল আশুগঞ্জসহ বিজয়নগর উপজেলার চান্দুরা ও বুধন্তী ইউনিয়নকে নিয়ে স্বপ্ন দেখি। আমি চাই পরিকল্পিত উন্নয়নের মাধ্যমে শান্তির নগরী হিসেবে এই এলাকাকে গড়ে তুলবে।
আজকালের কন্ঠ / আর এস