Header
প্রিন্ট তারিখঃ সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬ , ১২:৫৮ অপরাহ্ণ | প্রকাশের সময়ঃ ডিসেম্বর ৪, ২০২৫ , ৬:৪০ অপরাহ্ণ

শ্রীবরদীতে শিক্ষক ধর্মঘটের মাঝেই তালা ভেঙে পরীক্ষা নিলেন ইউএনও মনীষা

লেখকঃ শেরপুর জেলা প্রতিনিধি

সারাদেশের মতো শেরপুরের শ্রীবরদী উপজেলাতেও প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা দাবি আদায়ের অংশ হিসেবে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচি পালন করছেন। কর্মসূচির অংশ হিসেবে তারা শ্রেণিকক্ষে তালা ঝুলিয়ে পরীক্ষা বর্জন করেন। ফলে পরীক্ষার দিনে সকাল থেকেই বিদ্যালয়ের বাইরে অপেক্ষায় থাকে শিক্ষার্থীরা।

এরই মাঝে বৃহস্পতিবার (৪ ডিসেম্বর) সকাল ১১টার দিকে শ্রীবরদী উপজেলা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে তালা ভেঙে পরীক্ষার ব্যবস্থা করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মনীষা আহমেদ। এ সময় উপজেলা সহকারী প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. নূরন নবীসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

জানা যায়, উপজেলাটির ১৯৬টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা বুধবার থেকে কর্মবিরতি পালন করছেন এবং বৃহস্পতিবারও তা অব্যাহত থাকে। তাদের দাবির মধ্যে রয়েছে—

সহকারী শিক্ষক পদকে বিসিএস (সাধারণ শিক্ষা) ক্যাডারে অন্তর্ভুক্ত করা শূন্যপদে নিয়োগ, পদোন্নতি ও পদায়ন বাস্তবায়ন টাইম স্কেল–সিলেকশন গ্রেডের বকেয়া পরিশোধ আগের মতো অগ্রিম বেতন সুবিধা পুনর্বহাল করা

শিক্ষকদের হঠাৎ কর্মবিরতি ও পরীক্ষাবর্জনে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অভিভাবকরা। অভিভাবক খায়রুল হক বলেন, “হুটহাট করে পরীক্ষা বন্ধ করা গ্রহণযোগ্য নয়। এতে শিশুরা মানসিক চাপের মধ্যে পড়ে। পরীক্ষা বর্জন করে আন্দোলন করাটা ঠিক নয়।

অভিভাবক ইসমাইল হোসেন বলেন, “এটা আন্দোলন নয়, শিক্ষার্থীদের জিম্মি করার মতো আচরণ। সরকারকে কঠোর হতে হবে। প্রয়োজনে নতুন শিক্ষক নিয়োগ দিতে হবে।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মনীষা আহমেদ বলেন, “প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় জরুরি নির্দেশনা দিয়ে শিক্ষকদের অবিলম্বে পরীক্ষায় ফিরতে বলেছে। শাটডাউন চলতে থাকলে সরকারি চাকরি আইন, আচরণবিধি ও ফৌজদারি আইনে ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে।

তিনি আরও জানান, “শিক্ষার্থীদের পরীক্ষাবঞ্চিত করার তথ্য পাওয়ার পর উপজেলা মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে পরীক্ষা গ্রহণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

 

 

প্রিন্ট করুন