বিএনপি ক্ষমতায় এলে জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা পূরণ হবে বলে মন্তব্য করেছেন বরিশাল ৬ (বাকেরগঞ্জ) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এবং সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা জননেতা আবুল হোসেন খান।
রবিবার (৩০ নভেম্বর) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে বিএনপি আয়োজিত কর্মিসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
বিএনপিকে নিয়ে অনেক ষড়যন্ত্র হচ্ছে। ষড়যন্ত্রের মধ্যে থেকে বিএনপিকে বের করে আনতে হবে। আগামী নির্বাচনে বিএনপিকে ক্ষমতায় আনতে হবে। বিএনপি ক্ষমতায় এলে দেশের মানুষের ভাগ্যের উন্নয়ন হবে। এজন্য আমাদের সব বিভেদ ভুলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে।
সাবেক সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা জননেতা আবুল হোসেন খান বলেন, ‘আমাকে প্রার্থী ঘোষণা করার পর থেকেই এলাকায় ধানের শীষের পক্ষে বিপুল উৎসাহ-উদ্দীপনা ও গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি, জনগণ তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ধানের শীষ প্রতীকে মূল্যবান ভোট দিয়ে সংসদে পাঠাবেন।
তিনি আরো বলেন, ‘নির্বাচিত হতে পারলে বিএনপি ঘোষিত ৩১ দফার ভিত্তিতে জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার পূর্ণ বাস্তবায়ন করব ইনশাআল্লাহ। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া ও দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান আমার ওপর যে আস্থা রেখেছেন, আমি সেই আস্থার মর্যাদা রাখার সর্বোচ্চ চেষ্টা করব।’
নেতাকর্মীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘বিএনপির নেতাকর্মী ও সমর্থকরা একযোগে কাজ করে
ধানের শীষকে বিজয়ী করবেন। আপনারা আমাকে বিজয়ী করলে দেশনেত্রী খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের হাত আরো শক্তিশালী হবে এবং দেশের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রা অব্যাহত থাকবে।
তিনি আরও উল্লেখ করেন, ‘একটি সরকারের পতন হয়েছে। সামনে একটি গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হবে। এ জন্য প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনকে নিরপেক্ষ ভূমিকা রাখতে হবে। এবার পক্ষপাতিত্বের কোনো সুযোগ নেই।
আপনার ভোট আপনি দেবেন, অন্য কারো দেওয়ার সুযোগ থাকবে না।
দীর্ঘ সময় শেখ হাসিনার শাসনামলে বিএনপির নেতাকর্মীরা অনেক কষ্ট করেছেন। অনেক নেতাকর্মী গুম হয়েছে, অনেকের নামে হামলা, মামলা হয়েছে। সারা দেশের লাখ লাখ নেতাকর্মীরা জেল খেটেছেন। শেখ হাসিনার পতন হলে গত ৫ আগস্টের পর দেশে এক নতুন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। ৫ আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের পরও আমরা কিছু সমস্যায় পরেছি। ড. ইউনূস ক্ষমতায় এলেন, তিনি ক্ষমতায় আসার পর আমরা খুব ঝামেলার মধ্যে পড়ে গেলাম। নির্বাচন কবে হবে এটা নিয়ে তিনি মন্তব্য করছিলেন না।। নির্বাচন নিয়ে একটা সংশয় দেখা দিল।
তিনি আরও বলেন, আমাদের নেতা বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান বললেন শেখ হাসিনা আমাদের সব গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করেছেন। আমাদের ভোট দিতে দেইনি। আমাদের নেতা তারেক রহমান বললেন দেশে নির্বাচন হতে হবে। তারেক রহমানের সঙ্গে প্রধান উপদেষ্টা ড. ইউনূসের বৈঠক হয় লন্ডনে। সেই বৈঠক শেষে জানা যায় নির্বাচন হবে ফেব্রুয়ারিতে। তবে যতদিন পর্যন্ত নির্বাচন না হচ্ছে আমাদের সংশয় কাটছে না। দেশে গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনতে হলে নির্বাচন দিতেই হবে।