Header
প্রিন্ট তারিখঃ সেপ্টেম্বর ২১, ২০২৬ , ২:৫৮ পূর্বাহ্ণ | প্রকাশের সময়ঃ নভেম্বর ২৭, ২০২৫ , ১০:৫৭ পূর্বাহ্ণ

পিরোজপুরে বিশ্ব আ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স সচেতনতা সপ্তাহ ২০২৫ অনুষ্ঠিত

লেখকঃ পিরোজপুর জেলা প্রতিনিধি

বিশ্ব আ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স সচেতনতা সপ্তাহ ২০২৫ “এখনই কাজ করুন, আমাদের বর্তমানকে রক্ষা করুন,আমাদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষিত করুন”এই স্লোগানকে সামনে রেখে পিরোজপুর জেলা ঔষধ প্রশাসনের উদ্যোগে আ্যন্টিবায়োটিকের যৌক্তিক ব্যবহার সম্পর্কে সচেতনতা মূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

বুধবার (২৬ নভেম্বর) বিকাল ৪ টায় জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সভাকক্ষে ঔষধ প্রশাসনের আয়োজনে জেলার সকল কেমিস্ট এন্ড ড্রাগিস্ট সদস্যদের উদ্বুদ্ধকরণের লক্ষ্যে এ সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠিত হয়।

পিরোজপুর জেলা ঔষধ প্রশাসনের তত্ত্বাবধায়ক রাহুল কৃষ্ণ রায়ের সভাপতিত্বে সচেতনতামূলক সভা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, জেলা সিভিল সার্জন ডা.মো. মতিউর রহমান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন,পিরোজপুর জেলা কেমিস্ট এ্যান্ড ড্রাগিষ্ট সমিতির সভাপতি মো. হারুন আর রশিদ। আরো উপস্থিত ছিলেন জেলা কেমিস্ট এন্ড ড্রাগিস্ট সমিতির সিনিয়র সহ-সভাপতি মো.জাহিদুল ইসলাম,ইন্দুরকানি উপজেলা কেমিস্ট এন্ড ড্রাগিস্ট সমিতির সাধারণ সম্পাদক কামরুল আহসান (সোহাগ) সহ জেলার সকল কেমিস্ট এন্ড ড্রাগিস্ট সমিতির সদস্যবৃন্দ।

বিশ্ব আ্যন্ট্রিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স (AMR) সচেতনতা সপ্তাহ ২০২৫ উপলক্ষে বক্তারা তাদের বক্তব্যে বলেন,এবারের মূল স্লোগানটি খুবই প্রাসঙ্গিক ও জরুরী: “এখনই কাজ করুন, আমাদের বর্তমানকে রক্ষা করুন,আমাদের ভবিষ্যৎকে সুরক্ষিত করুন”এই স্লোগানটি শুধু একটি আহ্বান নয় বরং এটি একটি জরুরি বার্তা যা আমাদের নিজেদের এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের অস্তিত্ব রক্ষার জন্য এখনই পদক্ষেপ নিতে হবে।

আ্যন্টিবায়োটিকের অপব্যবহারের ফলে জীবাণুরা প্রতিরোধী হয়ে ওঠে এর ফলে সাধারণ সংক্রমণ ও নিরাময় করা কঠিন হয়ে পড়েছে। আমাদের স্বাস্থ্য ব্যবহার এর জন্য এটি একটি বিরাট হুমকি। এক সময় সাধারণ রোগ যেমন টাইফয়েড বা টিবি এখন আরো শক্তিশালী আ্যন্টিবায়োটিক ছাড়া সরানো যাচ্ছে না। এটি কেবল স্বাস্থ্য খারাপ নয়, খাদ্য নিরাপত্তা এবং পরিবেশের উপরও নেতিবাচক প্রভাব ফেলে।

এ সপ্তাহে আমরা যে সচেতনতা বৃদ্ধির উদ্যোগ নিয়েছি তা যেন শুধু একটি সপ্তাহের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, এটিকে একটি দীর্ঘমেয়াদী আন্দোলনে পরিণত করতে হবে। চিকিৎসক নির্দেশিত আ্যন্টিবায়োটিক ছাড়া কোন ঔষধ ব্যবহার করা যাবে না। নিজে নিজে অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়া বন্ধ করতে হবে, কোন ধরনের সংক্রমণের জন্য ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া কোন আ্যন্টিবায়োটিক খাওয়া যাবেনা। ব্যক্তিগত ও পরিবেশগত স্বাস্থ্যবিধি মেনে চললে সংক্রমণের হার কমানো যায়।

সরকার ও স্বাস্থ্যসেবা প্রদান কারীদের আ্যন্টিবায়োটিক ব্যবহারের সঠিক নিয়ম কানুন কার্যকর এবং রোগীদের সচেতনতা বৃদ্ধিতে উদ্যোগী হতে হবে। তাই আমরা সকলে মিলে (AMR) এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াই এবং আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে একটি সুস্হ,সুন্দর পৃথিবী উপহার দিই।

আজকালের কন্ঠ/আর বি

প্রিন্ট করুন