নিজের বিদেশি নাগরিকত্ব নিয়ে কথা বলেছেন ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফারুক আহমেদ। তিনি জানিয়েছেন, ভারতে চাকরির কারণে তাকে আধার কার্ড নিতে হলেও দেশটির নাগরিকত্ব নেই তার। তবে বাংলাদেশের পাশাপাশি তিনি অস্ট্রেলিয়ারও নাগরিক।
বুধবার (১২ নভেম্বর) সড়ক, রেল ও অবকাঠামো খাতের সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয় উত্তরার দিয়াবাড়িতে ডিএমটিসিএল প্রধান কার্যালয়ে। সেখানে ডিএমটিসিএলের এমডি তার বিদেশি নাগরিকত্ব নিয়ে প্রশ্নের জবাব দেন।
মেট্রোরেলের এমডি হিসেবে নিয়োগের বিষয়ে ফারুক আহমেদ বলেন, ‘আমি জন্মসূত্রে বাংলাদেশি নাগরিক। আমার যদি এখানে কাজ করার অধিকার না থাকে, অন্য অনেক সংস্থার এমডি-সিইও আছে যারা বিদেশি। এর মধ্যে বাংলাদেশ বিমানে এর আগে জন্মসূত্রে বিদেশিরা চাকরি করেছেন।’
ভারতের আধার কার্ড থাকার বিষয়ে এমডি বলেন, তিনি ভারতের মেট্রোরেল ব্যবস্থায় দীর্ঘদিন চাকরি করেছেন। ভারতে ১৮৪ দিনের বেশি থাকলে এবং ব্যাংক হিসাব খুলতে হলে আধার কার্ড থাকা বাধ্যতামূলক। এটি থাকার সঙ্গে সে দেশের নাগরিকত্বের সম্পর্ক নেই। তবে তিনি বাংলাদেশের পাশাপাশি অস্ট্রেলিয়ারও নাগরিক বলে জানান।
অস্ট্রেলিয়া, হংকং, ভারত, দুবাইসহ বিভিন্ন দেশের নাগরিকেরা মেট্রোরেলে চাকরি করেছেন। ডিএমটিসিএলের এমডি পদে আগের চেয়ে বেতন বেশি না কম এই বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে ফারুক আহমেদ বলেন, ‘আমি সর্বশেষ ভারতে চাকরি করেছি। ওখান থেকে ডিএমটিসিএলে ১৫ ভাগের ১ ভাগ বেতন পাচ্ছি। বাংলাদেশে জন্ম, পড়াশোনাও করেছি এখানে। বাবা-মাসহ আত্মীয়স্বজন বাংলাদেশে আছেন। ফলে ঢাকায় কাজ করার একটা ইচ্ছা ছিল। দেশকে কিছু দেওয়ারও বাসনা আছে। এ জন্যেই চাকরিটা নিয়েছি।’
আজকালের কন্ঠ/আর বি