Header
প্রিন্ট তারিখঃ সেপ্টেম্বর ২০, ২০২৬ , ১০:২০ পূর্বাহ্ণ | প্রকাশের সময়ঃ নভেম্বর ৫, ২০২৫ , ১:৪৮ অপরাহ্ণ

জুলাই সনদ-গণভোট প্রসঙ্গে অগ্রগতি কতদূর?

লেখকঃ আজকালের কন্ঠ ডেস্ক :

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসের মতে, যে সরকার বারবার প্রতারণার আশ্রয় নেয়, ওরা বারবার প্রতারণা করবে।জুলাই সনদ বাস্তবায়ন প্রক্রিয়া ও গণভোট নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার ৭ দিনের বেঁধে দেয়া সময়ের দুইদিন পার হলেও রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে আলোচনার দৃশ্যমান কোনও উদ্যোগ নেই। নিজেদের উদ্যোগে আলোচনা নিয়ে দলগুলো ভিন্ন ভিন্ন অবস্থানে।

সরকারের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ তুলে সতর্ক অবস্থানে বিএনপি। গণভোট নিয়ে আলোচনা চায় জামায়াত এবং প্রধান উপদেষ্টার আহ্বানকে ইতিবাচক হিসেবে দেখছে দলটি। অন্যদিকে, এনসিপি সরকারের বিরুদ্ধে সময় নষ্টের অভিযোগ তুলেছে।

এ নিয়ে জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমানর ভাষ্য হচ্ছে, এক সপ্তাহের মধ্যে যদি রাজনৈতিক দলগুলো বসে একটি ঐকমত্যে পৌঁছাতে পারে, সরকারের জন্য এটা ভালো। সবার আগে আমাদের পক্ষ থেকে নায়েবে আমির আহ্বান জানিয়েছেন যে আসুন, আমরা খোলামেলা আলোচনা করে সমাধানে পৌঁছাই।

রাজনৈতিক দলের নেতারা বলছেন, সরকারের দায়িত্বহীনতার কারণেই ঝুঁকির মুখে পড়েছে জুলাই সনদ। তবে, গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি নিজ উদ্যোগে দলগুলোর সঙ্গে আলোচনার কথা জানান।

জোনায়েদ সাকি বলেছেন, এটা একটা জটিলতা তৈরি করেছে এবং আমরা মনে করি এটার দায় সরকার ও ঐকমত্য কমিশনের আছে। রাজনৈতিক দলগুলোর কোর্টে বল ঠেলে দিলে তো হবে না, মানে এটার তো ফ্যাসিলিটেটর কে? ঐকমত্য কমিশন ছিল ফ্যাসিলিটেটর। এখন যারা কাজটাকে সমন্বয় করে এগিয়ে নিয়ে যাবে তারাই যদি অনুপস্থিত থাকে, রাজনৈতিক দলগুলোর যে মতপার্থক্য এটা নিজেরা সমাধান করে ফেলবে, এ রকম একটা কথা বলা সহজ, কিন্তু বাস্তবে এটা জানা যায় যে কতটা কঠিন কাজ।

রাজনৈতিক দলগুলোর দিকে ঠেলে দিলাম এবং তাদের মধ্যে বোঝাপড়ায় একটা জায়গায় পৌঁছালো না এবং সেক্ষেত্রে সরকার কিছু করতে পারলো না। সরকার আসলে রাজনৈতিক দলগুলোর ওপরে দায় দিয়ে তারা সংস্কার থেকে দূরে সরে যেতে চায়, এমন একটা মানসিকতা তাদের মধ্যে আছে।

আজকালের কন্ঠ/আর এস

 

 

প্রিন্ট করুন