কাতার বিশ্বকাপের পর থেকেই ইনজুরিতে ভুগছেন নেইমার জুনিয়র। বাধ্য হয়ে আল হিলাল থেকে সান্তোসে পাড়ি জমিয়েছিলেন তিনি। তবু সেপ্টেম্বরে শেষ হওয়া বিশ্বকাপ বাছাইয়ের দলে জায়গা পাননি নেইমার। কারণ, দল ঘোষণার আগের দিন আবারও উরুর চোটে পড়েন তিনি।
সেই চোট কাটাতে নেইমারের সময় লেগে ৪৩দিন। আর এই সময়ে সান্তোস খেলে ৯ ম্যাচ। তাই ইনজুরি কাটিয়ে গতকাল রাতে সান্তোসের হয়ে ব্রাজিলিয়ান লিগে ফোর্তালেজার বিপক্ষে বদলি হিসেবে নামেন নেইমার।
সব মিলিয়ে ২৩ মিনিট খেলেছেন। সময়টা খুব বেশি নয়, কিন্তু আলোচনায় আসার মতো যথেষ্ট। নেইমার মাঠে নামার পর সবচেয়ে আকর্ষণীয় মুহূর্তটি আসে যোগ করা সময়ের শেষে। বক্সের ঠিক বাইরে মাঝামাঝি জায়গায় ফ্রি–কিক পায় সান্তোস। শট নিতে গিয়ে হঠাৎ একমুহূর্তের জন্য থেমে যান নেইমার।
তার থেমে যাওয়া মানেই বিপক্ষের মানবদেয়াল লাফিয়ে ওঠা। ঠিক সেই ফাঁকা জায়গাটা লক্ষ্য করেই শট নেন তিনি। তবে শটে জোর কম থাকায় সেটি ঠেকিয়ে দেন ফোর্তালেজার গোলরক্ষক ব্রেননো।
ফ্রি–কিকে গোল না পেলেও নেইমার যতক্ষণ মাঠে ছিলেন, ছিলেন প্রাণবন্ত। ২৩ মিনিটে দুটি শট নিয়েছেন, তিনটি সুযোগ তৈরি করেছেন। চারবার ড্রিবলের চেষ্টা করে সফল হয়েছেন দুটিতে। পরিসংখ্যান যতই বলুক, চোখে পড়েছে নেইমারের আত্মবিশ্বাস।
বলের ওপর দারুণ নিয়ন্ত্রণ, নিখুঁত পাস, মাঝেমধ্যে ঝলমলে ছোঁয়া—সব মিলিয়ে মনে হয়েছে পুরোনো নেইমারই যেন ফিরেছেন। সান্তোসের সমতাসূচক গোলে শেষ পাসটি তারই। যদি সেটা আত্মঘাতী না হতো, অ্যাসিস্টের খাতায় জুড়ত নেইমারের নাম।
চলতি মাসে সেনেগালের বিপক্ষে প্রীতি ম্যাচ খেলার কথা রয়েছে ব্রাজিলের। সেই ম্যাচে নেইমার জায়গা পাবেন কিনা সেটাই দেখার বিষয়। তবে ফিট নেইমার দলের জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ, তা বহুবার বলেছেন কোচ কার্লো আনচেলত্তি।
আজকালের কন্ঠ/আর বি