পিরোজপুরের ইন্দুরকানী (জিয়ানগর) উপজেলার পাড়েরহাট ইউনিয়নের ৭নং দড়িচর গাজীপুর খেয়াঘাটে রবিবার (১৯ অক্টোবর) সন্ধ্যায় প্রদর্শিত হলো বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের বিবিসি বাংলায় দেওয়া ঐতিহাসিক ও বহুল আলোচিত সাক্ষাৎকার।
গ্রামীণ এই শান্ত নদীপাড়ের খেয়াঘাটে প্রজেক্টরের আলোয় যখন ভেসে উঠছিল দেশনায়ক তারেক রহমানের যুক্তিনির্ভর বক্তব্য, তখন উপস্থিত দর্শকদের চোখেমুখে ফুটে উঠেছিল আশার আলো ও পরিবর্তনের প্রত্যয়। চারপাশে যেন ছড়িয়ে পড়েছিল এক বিশেষ আবেগ দেশপ্রেম, প্রজ্ঞা ও গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের অঙ্গীকারে ভরপুর এক সন্ধ্যা।
প্রদর্শনের পুরো সময়জুড়ে দর্শক ও স্থানীয় জনগণের মধ্যে ছিল গভীর আগ্রহ, উদ্দীপনা ও আবেগ। অনেকেই জানান, “তারেক রহমানের যুক্তি, প্রজ্ঞা ও দেশমাতৃকার প্রতি তাঁর নিষ্ঠা আমাদের নতুন করে ভাবতে ও অনুপ্রাণিত হতে বাধ্য করেছে।”
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পিরোজপুর জেলা যুবদলের যুগ্ম আহবায়ক ফিরোজ শেখ, ইন্দুরকানী উপজেলা বিএনপির সহ-সভাপতি রুহুল আমিন শেখ, পাড়েরহাট ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি দেলোয়ার হোসেন, সাধারণ সম্পাদক মিজানুর রহমান খান, যুবদল নেতা শহিদুল ইসলাম, ছাত্রদল নেতা ফয়সাল হোসেনসহ অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের অসংখ্য নেতাকর্মী।
স্থানীয় নেতৃবৃন্দ জনগণের মাঝে দেশনায়ক তারেক রহমান ঘোষিত রাষ্ট্রকাঠামো মেরামতের ৩১ দফা কর্মসূচি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। বক্তারা বলেন, এই ৩১ দফা শুধু রাজনৈতিক রূপরেখা নয়, এটি বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ রাষ্ট্রগঠন ও গণতান্ত্রিক সংস্কারের একটি যুগান্তকারী দিকনির্দেশনা।
অনুষ্ঠানটির সার্বিক আয়োজন করেন জিয়াউর রহমান ফাউন্ডেশনের পরিচালক, দৈনিক কালের কণ্ঠ পত্রিকার যুগ্ম সম্পাদক ও সাংবাদিক নেতা হাফিজ আল আসাদ সাঈদ খান। তাঁর এই উদ্যোগকে ঘিরে দড়িচর গাজীপুর খেয়াঘাট এলাকায় সৃষ্টি হয় উৎসবমুখর পরিবেশ।
দলমত-নির্বিশেষে বিপুলসংখ্যক মানুষ একত্রিত হয়ে অনুষ্ঠানটি উপভোগ করেন। নদীর বাতাসে, প্রজেক্টরের আলোয়, আর জনতার উৎসাহে ভরে উঠেছিল পুরো এলাকা। যেন গ্রামীণ বাংলার হৃদয়ে এক নতুন আশার প্রদীপ জ্বলে উঠেছিল— গণতন্ত্র, পরিবর্তন ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার প্রত্যয়ে।
আজকালের কন্ঠ/আর বি